1. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  2. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  3. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  4. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  5. mijuahmed2016@gmail.com : Miju Ahmed : Miju Ahmed
  6. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  7. test23519785@wintds.org : test23519785 :
  8. test36806100@wintds.org : test36806100 :
  9. test37402178@wintds.org : test37402178 :
  10. test38214340@wintds.org : test38214340 :
  11. test40493353@wintds.org : test40493353 :
  12. test9417170@wintds.org : test9417170 :
  13. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ আসামির দাফন সম্পন্ন - বাংলার দর্পন
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় সকাল ১১:৫৯ আজ রবিবার, ১লা কার্তিক, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১৭ই অক্টোবর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই রবিউল আউয়াল, ১৪৪৩ হিজরি




মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া ২ আসামির দাফন সম্পন্ন

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৫ অক্টোবর, ২০২১
  • ২৫৮ বার দেখা হয়েছে

দুই বান্ধবী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই আসামির দাফন সম্পন্ন হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে চুয়াডাঙ্গার আলমডাঙ্গা উপজেলার রায়লক্ষ্মীপুরে গ্রামে তাদের দাফন করা হয়।

এর আগে মঙ্গলবার ভোরে আজিজুল ওরফে আজিদ ওরফে আজিজ (৫০) ও মিন্টু ওরফে কালুর (৫০) লাশ রায়লক্ষ্মীপুরে পৌঁছে। পরে ওই গ্রামে তাদের জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজায় এলাকার অনেক মানুষ অংশ নেয়। সোমবার রাত পৌনে ১১টার দিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে দুই বান্ধবী ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আজিজ ও মিন্টুর ফাঁসি কার্যকর হয়।

জানা যায়, ২০০৩ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর আলমডাঙ্গা থানার জোড়গাছা গ্রামের কমেলা খাতুন ও তার বান্ধবী ফিঙ্গে বেগমকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ ফেলে রাখা হয় রায়লক্ষ্মীপুর মাঠে। পরদিন নিহত কমেলা খাতুনের মেয়ে নারগিস বেগম আলমডাঙ্গা থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় দণ্ডপ্রাপ্ত ওই দুজনসহ চারজনকে আসামি করা হয়। অপর দুজন হলেন একই গ্রামের সুজন ও মহি। মামলা বিচারাধীন অবস্থায় মারা যান আসামি মহি।

২০০৭ সালের ২৬ জুলাই চুয়াডাঙ্গার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল সুজন, আজিজ ও মিন্টুকে মৃত্যুদণ্ডের রায় দেন। এরপর আসামিপক্ষের লোকজন হাইকোর্টে আপিল করেন। ২০১২ সালে ১১ নভেম্বর নিম্ন আদালতের রায় বহাল রাখার আদেশ দেন হাইকোর্ট। চলতি বছরের ২৭ জুলাই তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষার আবেদন করেন। আবেদন নামঞ্জুর সংক্রান্ত চিঠি গত ৮ সেপ্টেম্বর যশোর কেন্দ্রীয় কারাগার কর্তৃপক্ষকে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। এরপর ফাঁসির রায় কার্যকরের দিন নির্ধারণ করে কারা কর্তৃপক্ষ। ২০০৭ সালের ১০ জুলাই চুয়াডাঙ্গা জেলা কারাগার থেকে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত এই দুই আসামিকে যশোর কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়। এতদিন এখানেই বন্দি ছিলো তারা।

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন