1. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  2. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  3. mdkhairulislam2010@gmail.com : Md. Khairul Islam : Md. Khairul Islam
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijuahmed2016@gmail.com : Miju Ahmed : Miju Ahmed
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. test10927566@mail.imailfree.cc : test10927566 :
  9. test12139887@mail.imailfree.cc : test12139887 :
  10. test12312393@mail.imailfree.cc : test12312393 :
  11. test17206884@mail.imailfree.cc : test17206884 :
  12. test1742011@mail.imailfree.cc : test1742011 :
  13. test19269197@mail.imailfree.cc : test19269197 :
  14. test20448569@mail.imailfree.cc : test20448569 :
  15. test21047630@mail.imailfree.cc : test21047630 :
  16. test23519785@wintds.org : test23519785 :
  17. test33461929@mail.imailfree.cc : test33461929 :
  18. test3578307@mail.imailfree.cc : test3578307 :
  19. test36806100@wintds.org : test36806100 :
  20. test36989763@mail.imailfree.cc : test36989763 :
  21. test37402178@wintds.org : test37402178 :
  22. test38214340@wintds.org : test38214340 :
  23. test40493353@wintds.org : test40493353 :
  24. test48696717@mail.imailfree.cc : test48696717 :
  25. test9417170@wintds.org : test9417170 :
  26. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
  27. rhjfjm08rou0@esiix.com : wpuser_vbrhehowibcm :
  28. 629cak@vddaz.com : wpuser_xlfprkhohcfw :
জেনে নিন স্ট্রোকের সময় যেসব পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে রোগীর জীবন
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ২:৫৫ আজ বুধবার, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




জেনে নিন স্ট্রোকের সময় যেসব পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে রোগীর জীবন

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শনিবার, ৩০ অক্টোবর, ২০২১
  • ৩৭ বার দেখা হয়েছে
জেনে নিন স্ট্রোকের সময় যেসব পদক্ষেপ বাঁচাতে পারে রোগীর জীবন

স্ট্রোক একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা এবং দ্রুত এর চিকিৎসা শুরু করা না গেলে রোগীকে পঙ্গুত্ব বরণের পাশাপাশি তার মৃত্যু পর্যন্ত পর্যন্ত হতে পারে। অন্যদিকে তাৎক্ষণিক চিকিৎসা সেবা দেওয়া গেলে রোগীর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা অনেকাংশে কমিয়ে আনা সম্ভব বলে মত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের।

স্ট্রোকের লক্ষণ একেকজনের ক্ষেত্রে একেকরকম হয়। অনেকে স্ট্রোক হওয়ার কিছুক্ষণ পর স্বাভাবিক হয়ে যান। এ কারণে আর চিকিৎসকের কাছে যেতে চান না। এতে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে। খবর বিবিসি বাংলার।

স্ট্রোকের সাধারণ কিছু লক্ষণ হল:

আচমকা হাত, পা বা শরীরের কোনও একটা দিক অবশ হয়ে যাওয়া। হাত ওপরে তুলতে না পারা।

চোখে ঝাপসা/ অন্ধকার দেখা।

কথা বলতে অসুবিধা হওয়া বা কথা জড়িয়ে যাওয়া।

ঢোক গিলতে কষ্ট হওয়া।

জিহ্বা অসাড় হয়ে, মুখ বেঁকে যাওয়া।

শরীরের ভারসাম্য হারিয়ে ফেলা, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে পড়ে যাওয়া/জ্ঞান হারানো।

হঠাৎ কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে বাজ পড়ার মতো তীব্র মাথাব্যথা।

বমি বমি ভাব, বমি, খিঁচুনি হওয়া।

স্ট্রোক লক্ষণ দেখা দেয়ার পর থেকে তিন থেকে সাড়ে চার ঘণ্টা সময় খুবই ক্রিটিকাল। এই সময়ের মধ্যে বা তার আগে রোগীকে চিকিৎসা দেয়া সম্ভব হলে মৃত্যু-ঝুঁকি অনেকটাই ঠেকানো সম্ভব। তবে এই সময়কাল একেকজন রোগীর স্বাস্থ্য পরিস্থিতির ওপর নির্ভর করে। অনেকের তিন ঘণ্টায় যে ক্ষতি হয়, সেটা হয়তো আরেকজনের ক্ষেত্রে আরও পরে গিয়ে হতে পারে। সাধারণত স্ট্রোকের রোগী সাড়ে চার ঘণ্টার মধ্যে আসলে চিকিৎসকরা আই ভি থ্রম্বোলাইসিস চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। চিকিৎসকরা ইনজেকশনের মাধ্যমে এমন একটা ওষুধ দেন যা রক্তনালীর ব্লক ছুটিয়ে মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক করে। ওষুধ দেয়ার এই পদ্ধতিকে বলা হয় থ্রোম্বোলাইসিস। রোগীকে যদি লক্ষণ দেখা দেয়ার ৮ থেকে ১৬ ঘণ্টার মধ্যে আনা হয় তাহলে চিকিৎসকরা সাধারণত মেকানিক্যাল থ্রম্বেকটমি চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এই প্রক্রিয়ায় একটি বিশেষ যন্ত্র বা ক্যাথেটার দিয়ে রোগীর রক্তনালীতে জমাট বাঁধা রক্ত অপসারণ করে রক্ত চলাচল স্বাভাবিক করা হয়।। এ ধরণের চিকিৎসা শেষে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই রোগী সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। তবে রক্তপাত মারাত্মক হলে মাথার হাড় কেটে মস্তিষ্কের ক্ষতিগ্রস্ত অংশটিকে চাপমুক্ত রাখা হয়। যেন মস্তিষ্কের সুস্থ অংশ আক্রান্ত হতে না পারে একে বলা হয় ডিকম্প্রেস ক্র্যানিয়্যাকটমি। হাসপাতালে নেয়ার পর পর চিকিৎসকরা লক্ষণ বুঝে রোগীর মাথার , সিটি-স্ক্যান সেইসঙ্গে ব্লাড সুগার টেস্ট, ইসিজি টেস্ট দিয়ে থাকেন। পরবর্তীতে রোগীর অবস্থা বুঝে এমআরআই ও সিটি এনজিওগ্রাম করার পরামর্শ দেয়া হয়।

স্ট্রোকের প্রধান কারণ ও করণীয়

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বব্যাপী যত অসংক্রামক ব্যাধি আছে, সেগুলোর মধ্যে মৃত্যুর দিক থেকে হৃদরোগের পরেই স্ট্রোকের অবস্থান। এছাড়া পঙ্গুত্বের অন্যতম বড় কারণ স্ট্রোক। দিন দিন এতে আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। উন্নত বিশ্বের তুলনায় নিম্ন আয়ের দেশে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি বলে মত বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার।

সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ধরা হয়, তাহলে প্রতি এক হাজার মানুষের মধ্যে ১১ জনই স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। এবং এতে আক্রান্ত হওয়ার সবচেয়ে বড় কারণ উচ্চ রক্তচাপ। তবে আরও কয়েকটি কারণে স্ট্রোক হতে পারে, সেগুলো হল:

রক্তে কোলেস্টোরেলের পরিমাণ স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি হলে।

উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস অনিয়ন্ত্রিত অবস্থায় থাকলে। হৃদরোগ থাকলে।

মানসিক চাপ, অতিরিক্ত টেনশন, অবসাদের মতো মানসিক সমস্যা থাকলে।

সারাদিন শুয়ে বসে থাকলে, কায়িক পরিশ্রম না করলে, ওজন অস্বাভাবিক বেড়ে গেলে।

অস্বাস্থ্যকর অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস। বিশেষত অতিরিক্ত তেল ও চিনিযুক্ত, ভাজাপোড়া খাবার ও পানীয় খেলে।

ধূমপান, তামাক-জর্দা বা অন্যান্য মাদক সেবন, মদপান।

নিয়মিত স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে উঠলে স্ট্রোকের ঝুঁকি পুরোপুরি কাটিয়ে ওঠা সম্ভব। এক্ষেত্রে চিকিৎসকরা কয়েকটি পরামর্শ দিয়েছেন:

উচ্চ রক্তচাপ, ডায়বেটিস ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা।

অতিরিক্ত তেলচর্বি ও চিনি-লবনযুক্ত খাবার, ভাজাপোড়া, ফাস্টফুড এড়িয়ে পুষ্টিকর ডায়েট মেনে চলা।

ধূমপান, জর্দা-তামাক, মাদক সেবন, মদপান এড়িয়ে চলা।

প্রতিদিন ৬-৮ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন ঘুম।

শরীরচর্চা বা নিয়মিত কায়িক পরিশ্রম করা। ওজন ঠিক রাখা।

প্রতি ছয়মাস অন্তর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন