1. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  2. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  3. mdkhairulislam2010@gmail.com : Md. Khairul Islam : Md. Khairul Islam
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijuahmed2016@gmail.com : Miju Ahmed : Miju Ahmed
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. test10927566@mail.imailfree.cc : test10927566 :
  9. test12139887@mail.imailfree.cc : test12139887 :
  10. test12312393@mail.imailfree.cc : test12312393 :
  11. test17206884@mail.imailfree.cc : test17206884 :
  12. test1742011@mail.imailfree.cc : test1742011 :
  13. test19269197@mail.imailfree.cc : test19269197 :
  14. test20448569@mail.imailfree.cc : test20448569 :
  15. test21047630@mail.imailfree.cc : test21047630 :
  16. test23519785@wintds.org : test23519785 :
  17. test33461929@mail.imailfree.cc : test33461929 :
  18. test3578307@mail.imailfree.cc : test3578307 :
  19. test36806100@wintds.org : test36806100 :
  20. test36989763@mail.imailfree.cc : test36989763 :
  21. test37402178@wintds.org : test37402178 :
  22. test38214340@wintds.org : test38214340 :
  23. test40493353@wintds.org : test40493353 :
  24. test48696717@mail.imailfree.cc : test48696717 :
  25. test9417170@wintds.org : test9417170 :
  26. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
  27. rhjfjm08rou0@esiix.com : wpuser_vbrhehowibcm :
  28. 629cak@vddaz.com : wpuser_xlfprkhohcfw :
ইসলামে মহানবী সা:-এর প্রতি ভালোবাসা ও সুন্নাহ
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ৪:১২ আজ বুধবার, ১৬ই অগ্রহায়ণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১লা ডিসেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৫শে রবিউস সানি, ১৪৪৩ হিজরি




ইসলামে মহানবী সা:-এর প্রতি ভালোবাসা ও সুন্নাহ

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : বুধবার, ২৭ অক্টোবর, ২০২১
  • ৬২ বার দেখা হয়েছে
ইসলামে মহানবী সা:-এর প্রতি ভালোবাসা ও সুন্নাহ

১২ রবিউল আউয়াল রাসূলুল্লাহ সা:-এর জন্মদিন হিসেবে পালিত হয়। তবে দিনটি নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে বিস্তর মতভেদ রয়েছে। সাহাবি কায়েস বিন মাহরাম রা:-এর বর্ণনায় তিনি হাতির বছর জন্মগ্রহণ করেন এবং সেটি ছিল ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দ। এটি মুসনাদে আহমাদ, সিরাতে ইবনে হিশামে উল্লেখ আছে। মাসের বিষয়েও কেউ রমাদান, কেউ মহররম ও অন্যরা রবিউল আউয়াল বলেছেন। সহিহ মুসলিমের রেওয়ায়েত মতে, তিনি সোমবার দুনিয়ায় শুভাগমন করেন। সিরাত বিশ্বকোষে রাসূল সা:-এর জন্ম তারিখ লেখা হয় ৫৭১ খ্রিষ্টাব্দের ৯ রবিউল আউয়াল। রাসূল সা:-কে অনুসরণ করা আমাদের জন্য বাধ্যতামূলক, তার নবুয়তি জীবনের সব সিদ্ধান্ত ও ফয়সালা মানা ঈমানের অনিবার্য দাবি এবং তাঁকে প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসা আমাদের জন্য আবশ্যক। এ তিনটির কোনোটির সাথেই জন্মদিবস পালনের সম্পর্ক নেই।
নবী মুহাম্মদ সা:-এর আগমন দুনিয়ার মানুষের প্রতি আল্লাহর সবচেয়ে বড় অনুগ্রহ। আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ মুমিনদের প্রতি বড় অনুগ্রহ করেছেন; তিনি তাদেরই নিজেদের মধ্য হতে তাদের নিকট রাসূল প্রেরণ করেছেন। যিনি তাদের সামনে আল্লাহর আয়াতগুলো তিলাওয়াত করেন, তাদের পরিশুদ্ধ করেন এবং তাদের কিতাব ও হিকমাহ শিক্ষা দেন, যদিও তারা এর আগে সুস্পষ্ট গোমরাহিতে লিপ্ত ছিল।’ (সূরা আলে ইমরান, আয়াত-১৬৪)
নবী সা:-এর অনুসরণ ও আনুগত্য বিশ্বাসী ব্যক্তির জন্য আল্লাহর ভালোবাসা অর্জন ও গুনাহ মুক্তির উপায়। বলা হয়েছে, বলুন, যদি তোমরা আল্লাহকে ভালোবাস, তাহলে আমাকে অনুসরণ করো, যাতে আল্লাহও তোমাদেরকে ভালোবাসেন এবং তোমাদের পাপ মার্জনা করে দেন। আর আল্লাহ হলেন ক্ষমাকারী দয়ালু। বলুন, আল্লাহ ও রাসূলের আনুগত্য প্রকাশ করো। বস্তুত যদি তারা বিমুখতা অবলম্বন করে, তা হলে (জানা উচিত) আল্লাহ কাফেরদের ভালোবাসেন না। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত : ৩১-৩২)
আল্লাহ পাক এ ভালোবাসার বিস্তৃতি ও অগ্রাধিকার কতটা হবে সে প্রসঙ্গে আরো বলেন, ‘বলে দাও, তোমাদের কাছে যদি আল্লাহ, তাঁর রাসূল এবং আল্লাহর পথে জেহাদ করার চেয়ে বেশি প্রিয় হয়ে ওঠে তোমাদের পিতা, তোমাদের সন্তান, তোমাদের ভাই, তোমাদের স্ত্রী, তোমাদের পরিবার-পরিজন, তোমাদের অর্জিত ধনসম্পদ, তোমাদের ব্যবসা-বাণিজ্য যার মন্দায় পড়ার আশঙ্কা করো এবং তোমাদের বাড়িঘর যা তোমরা পছন্দ করো, তা হলে অপেক্ষা করো আল্লাহর নির্দেশ আসা পর্যন্ত। আল্লাহ পাপাচারী সম্প্রদায়কে সঠিক পথের দিশা দেন না। (সূরা তাওবা, আয়াত-২৪)
এক কথায় দুনিয়ার সব বিষয়বস্তু ও মানবিক সম্পর্ক থেকে আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ অগ্রাধিকার পাবে। হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত রাসূল সা: এরশাদ করেন, ওই সত্তার কসম যার হাতে আমার প্রাণ, তোমাদের কেউ প্রকৃত মুমিন হতে পারবে না, যতক্ষণ পর্যন্ত আমি তার কাছে তার পিতামাতা ও সন্তান থেকে অধিক প্রিয় না হবো। (সহিহ আল বুখারি)
শুধু বাবা-মা সন্তান থেকে নয় নিজের প্রাণের চেয়েও বেশি ভালোবাসতে হবে মুহাম্মাদ সা:কে। একদিন নবীজী সা: ওমর রা:-এর হাত ধরা ছিলেন। ওমর রা: বলে উঠলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আপনি আমার কাছে সব কিছু থেকে প্রিয়, তবে আমার জান ছাড়া। তখন নবীজী সা: বললেন, না ওমর, এতে হবে না। যে সত্তার হাতে আমার জান তাঁর কসম! (ততক্ষণ পর্যন্ত তুমি পূর্ণাঙ্গ মুমিন হতে পারবে না) যতক্ষণ না আমি তোমার কাছে তোমার জানের চেয়েও প্রিয় না হই। পরক্ষণেই ওমর রা: বললেন, হ্যাঁ, এখন তা হয়েছে; আল্লাহর কসম! (এখন থেকে) আপনি আমার কাছে আমার জানের চেয়েও প্রিয়। তখন নবীজী সা: বললেন, হ্যাঁ ওমর! এখন হয়েছে। (সহিহ বুখারি)
হজরত আনাস রা: থেকে বর্ণিত একদা (যুল খোয়াইসিয়াহ রা: নামক) এক ব্যক্তি হুজুর সা:-এর কাছে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূল সা: কিয়ামত কবে সংঘটিত হবে। রাসূল সা: রেগে গিয়ে বললেন, কিয়ামতের জন্য তুমি কি প্রস্তুতি নিয়েছ। উত্তরে তিনি বললেন, আল্লাহ আর রাসূল সা:কে ভালোবাসা ছাড়া আমি আর কিছুই প্রস্তুত করতে পারিনি। হুজুর সা: বললেন, তুমি যাকে ভালোবাস তার সাথেই তুমি থাকবে। হজরত আনাস রা: বলেন, মুসলমানরা এ কথা শুনে যে খুশি হয়েছে ইসলাম গ্রহণের পর এরকম খুশি হতে আমি তাদেরকে আর কখনো দেখিনি। (বুখারি, মুসলিম, মিশকাত )
হজরত আবু হুরায়রা রা: থেকে বর্ণিত রাসূল সা: ইরশাদ করেন, আমার উম্মতের কিছু লোক যারা আমার পরে দুনিয়ায় আসবে তারাও আমাকে অধিক ভালোবাসবে। তাদের অনেকে আশা করবে, হায় পরিবার পরিজন ও ধনসম্পদ বিসর্জন দিয়ে হলেও যদি তারা আমাকে দেখতে পারত। (মুসলিম, মেশকাত )
প্রিয় নবী সা:-এর আহ্বান সাহাবিগণের কাছে কত গুরুত্বপূর্ণ, তা সিরাতের কিতাবগুলোতে তাকালেই বোঝা যায়। মহানবী সা: কোনো কথা বললে সাহাবায়ে কিরাম সাথে সাথে তা পালন করতে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন। তিনি কোনো কিছু জানতে চাইলে তাঁরা বিনয় প্রকাশ করে বলতেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক অবগত। মহানবী সা:-এর কোনো কিছুতে কষ্ট হওয়া তাঁদের কাছে নিজের আপনজনের কষ্টের চেয়ে বেশি কষ্ট লাগত। খুবাইব রা: বন্দী হওয়ার পর কাফিররা তাঁর দেহের অঙ্গগুলো যখন একের পর এক বিচ্ছিন্ন করতে থাকে তখন তারা বলে, তুমি কি চাও তোমাকে ছেড়ে দিয়ে তোমার পরিবর্তে তোমার নবী মুহাম্মদকে হত্যা করি? খুবাইব রা: এই করুণ অবস্থায়ও বলেন, ‘আল্লাহর শপথ! আমি মুক্তি পেয়ে আমার পরিবার-পরিজনের কাছে ফিরে যাবাে আর আমার নবী মুহাম্মদ সা:-এর গায়ে কাঁটার আঁচড় লাগবে, তা হতে পারে না।’
ওহুদের যুদ্ধে মুসলিম বাহিনীর করুণ দশা শুনে একজন বৃদ্ধা ওহুদ ময়দানের দিকে রওনা হন। তাঁর অনেক আপনজন যুদ্ধে এসেছিল। তিনি পথিমধ্যে শুনতে পান তাঁর ছেলে, স্বামী, ভাই যুদ্ধে শহীদ হয়েছেন। বৃদ্ধা আল্লাহর প্রশংসা করলেন। পরিশেষে মহানবী সা:-এর কাছে গিয়ে বললেন, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমার ছেলে, স্বামী ও ভাই শহীদ হয়েছে; এতে আমার কোনো দুঃখ নেই, আপনি বেঁচে আছেন; তাতেই আমি খুশি।’ মহানবী সা:-এর হিজরতের আগে আলী রা:-কে নিজের বিছানায় শুয়ে থাকতে বলেন। অথচ এটি ছিল বাঁচা-মরার প্রশ্ন। কিন্তু রাসূলের ভালোবাসায় বিনাবাক্যে তা মেনে নেন। আবু বকর সিদ্দিক রা:-কে যেদিন মহানবী সা: হিজরতের কথা বলেছেন, সেদিন থেকে হিজরতের রাত পর্যন্ত (প্রায় তিন মাস) বিছানায় পিঠ লাগাননি। কারণ রাসূল সা: কখন ডাক দেন, তাঁর উঠতে দেরি হয়ে যায় কি না।
তিনি এমন এক রাসূল যিনি তাঁর উম্মতের জন্যও তার ভালোবাসা উজাড় করে দিয়েছেন। আল্লাহ নিজে সাক্ষ্য দিচ্ছেন (হে মানুষ!) তোমাদের নিজেদের মধ্য থেকেই তোমাদের কাছে এক রাসূল এসেছে। তোমাদের যেকোনো কষ্ট তার জন্য অতি পীড়াদায়ক। সে তোমাদের কল্যাণকামী, মুমিনদের প্রতি অত্যন্ত সদয়, পরম দয়ালু। (সূরা তাওবা, আয়াত-১২৮) বাকি অংশ আগামীকাল

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন