1. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  2. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  3. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  4. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  5. mijuahmed2016@gmail.com : Miju Ahmed : Miju Ahmed
  6. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  7. test23519785@wintds.org : test23519785 :
  8. test36806100@wintds.org : test36806100 :
  9. test37402178@wintds.org : test37402178 :
  10. test38214340@wintds.org : test38214340 :
  11. test40493353@wintds.org : test40493353 :
  12. test9417170@wintds.org : test9417170 :
  13. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
জেনে নিন যেসব গুণে আল্লাহর প্রিয় হওয়া যায়
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় বিকাল ৫:০৮ আজ বুধবার, ৭ই আশ্বিন, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২২শে সেপ্টেম্বর, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ১৪ই সফর, ১৪৪৩ হিজরি




জেনে নিন যেসব গুণে আল্লাহর প্রিয় হওয়া যায়

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শুক্রবার, ৩০ জুলাই, ২০২১
  • ৩৯ বার দেখা হয়েছে
জেনে নিন যেসব গুণে আল্লাহর প্রিয় হওয়া যায়

কিছু গুণ এমন আছে, যেগুলো আল্লাহর প্রিয় হওয়ার মাধ্যম। পবিত্র কোরআনের বিভিন্ন জায়গায় মহান আল্লাহর এই গুণের অধিকারীদের ভালোবাসেন বলে ঘোষণা দিয়েছেন। যদি কোনো মুমিন আল্লাহর প্রিয় হতে চায়, তবে তাকে অবশ্যই এই গুণগুলো অর্জন করতে হবে। নিম্নে সেই গুণগুলোর কিছু তুলে ধরা হলো—

সৎকর্মশীলতা : সৎকর্ম বা নেক আমল মানুষের পরকালীন জীবনের মূলধন। আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের মাধ্যম। কারণ মহান আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘তোমরা আল্লাহর পথে ব্যয় করো এবং (ব্যয় না করে) নিজেরা নিজেদের সর্বনাশ কোরো না। আর তোমরা সৎকর্ম করো, নিশ্চয়ই আল্লাহ সৎকর্মশীলদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ১৯৫)

পবিত্রতা : পবিত্রতা ঈমানের অঙ্গ। এর মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি পাওয়া যায়। আবার সুস্থতার জন্য পবিত্রতা জরুরি। শারীরিক পবিত্রতা যেমন শরীরকে সুস্থ রাখে, তেমনি আত্মিক পবিত্রতাও মানুষের আমলকে পরিশুদ্ধ করে দেয়। ফলে মানুষ দুনিয়া ও আখিরাতের সফলতা অর্জন করতে পারে। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ পবিত্রতা অর্জনকারীদের ভালোবাসার ঘোষণা দিয়েছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘সেখানে এমন লোক আছে, যারা উত্তমরূপে পবিত্রতা অর্জন ভালোবাসে, আর পবিত্রতা অর্জনকারীদের আল্লাহ পছন্দ করেন।’ (সুরা তাওবা, আয়াত : ১০৮)

তাওবা : ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ একটি পরিভাষা হলো তাওবা। তাওবার বিনিময়ে মহান রাব্বুুল আলামিন তাঁর বান্দাদের পাপ মোচন করেন। এটি মহান আল্লাহর বিশেষ নিয়ামত। এর মাধ্যমে কৃত গুনাহ থেকে পবিত্র হওয়া যায়। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের তাওবার মাধ্যমে পাপমুক্ত হওয়ার পথ বাতলে দিয়েছেন। মহান আল্লাহ বলেন, ‘হে ঈমানদাররা, তোমরা আল্লাহর কাছে তাওবা করো—খাঁটি তাওবা। আশা করা যায় তোমাদের রব তোমাদের পাপ মোচন করবেন এবং তোমাদের এমন জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যার পাদদেশে নহর প্রবাহিত। নবী ও তাঁর সঙ্গে যারা ঈমান এনেছে তাদের সেদিন আল্লাহ লাঞ্ছিত করবেন না।’ (সুরা : তাহরিম, আয়াত : ৮)

তাকওয়া : তাকওয়া মুমিনের একটি অনিবার্য গুণ। কোরআনে কারিমে মুত্তাকিদের ব্যাপারে অসংখ্য আয়াত নাজিল হয়েছে। গুনাহ মাফের সুসংবাদ, দোয়া কবুল হওয়া, পরকালের সফলতা, রিজিকে বরকত দান হওয়াসহ আরো নানা বিষয়ে সুসংবাদ এসেছে। কোরআনে এসেছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ তাঁদের সঙ্গে থাকেন, যারা তাকওয়া অবলম্বন করে।’ (সুরা নাহল, আয়াত : ১২৮)

অন্য আয়াতে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয় আল্লাহ মুত্তাকিদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ৭৬)

ধৈর্যশীলতা : দুনিয়া পরীক্ষাগার, তাই হাসি-কান্না, সুখ-দুঃখ প্রতিটি মানুষেরই সঙ্গী। তাই কখনো কখনো মানুষের ওপর বিপদাপদ আসবে, কঠিন বিপদেও যারা মহান আল্লাহর ওপর পূর্ণ আস্থা রেখে ধৈর্য ধারণ করবে, তারাই সফল হবে। পুরস্কার হিসেবে পাবে আল্লাহর সাহায্য ও ভালোবাসা। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘আর বহু নবী ছিল, তাদের সঙ্গে বিরাটসংখ্যক (নেককার) লোক যুদ্ধ করেছে। আল্লাহর পথে তাদের যে বিপর্যয় ঘটেছিল তাতে তারা হীনবল হয়নি, দুর্বল হয়নি এবং নত হয়নি। আর আল্লাহ ধৈর্যশীলদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৪৬)

আল্লাহর ওপর ভরসা করা : আল্লাহর হুকুম ছাড়া কোনো কিছুই সম্ভব নয়। আশ্রয়স্থল একমাত্র আল্লাহই। যারা তা মনে-প্রাণে বিশ্বাস করে এবং আল্লাহর ওপরই নির্ভর করে, আল্লাহ তাদের ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘অতঃপর তুমি কোনো সংকল্প গ্রহণ করলে আল্লাহর প্রতি নির্ভর করো। নিশ্চয় আল্লাহ (তাঁর ওপর) নির্ভরশীলদের ভালোবাসেন।’ (সুরা আলে ইমরান, আয়াত : ১৫৯)

ন্যায়নিষ্ঠতা : যে সমাজে মানুষ ইনসাফ ও ন্যায়বিচারবঞ্চিত হয়, সেখানে অপরাধপ্রবণতা বেড়ে যায়। ক্ষুধাপীড়িত মানুষ বিদ্যমান আইন ও বিচারব্যবস্থার প্রতি আস্থা হারায়। তাই পারিবারিক জীবন থেকে শুরু করে রাষ্ট্রীয় জীবন পর্যন্ত সব ক্ষেত্রে ইনসাফ প্রতিষ্ঠার বিকল্প নেই। এতে পরিবার ও সমাজে যেমন শান্তি আসবে, আল্লাহর সন্তুষ্টিও অর্জন হবে। কারণ মহান আল্লাহ ন্যায়নিষ্ঠদের ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে ইরশাদ হয়েছে, ‘নিশ্চয়ই আল্লাহ ন্যায়পরায়ণদের ভালোবাসেন।’ (সুরা মায়েদা, আয়াত : ৪২)

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন