1. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  2. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  3. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  4. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  5. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  6. test23519785@wintds.org : test23519785 :
  7. test36806100@wintds.org : test36806100 :
  8. test37402178@wintds.org : test37402178 :
  9. test38214340@wintds.org : test38214340 :
  10. test40493353@wintds.org : test40493353 :
  11. test9417170@wintds.org : test9417170 :
  12. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
ইসলামে বছরের শ্রেষ্ঠ দিন ও রজনী
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ১:২৯ আজ শনিবার, ১৬ই শ্রাবণ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ৩১শে জুলাই, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে জিলহজ, ১৪৪২ হিজরি




ইসলামে বছরের শ্রেষ্ঠ দিন ও রজনী

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শুক্রবার, ১৬ জুলাই, ২০২১
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে
ইসলামে বছরের শ্রেষ্ঠ দিন ও রজনী

মহান আল্লাহ সময়কে সময়ের ওপর এবং কোনো স্থানকে অপর স্থানের ওপর মর্যাদাবান করেছেন, তেমনি শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী মাস হলো আরবি বর্ষপঞ্জির সর্বশেষ মাস পবিত্র জিলহজ। যে মাসকে আল্লাহ তায়ালা বিভিন্নভাবে ঐতিহ্যবহ ও শ্রেষ্ঠ মর্যাদার অধিকারী করেছেন এবং মুসলিমদের জন্য নানা অফারে পরিপূর্ণ করে, ক্ষমা ও আনন্দ উদযাপনের সুযোগ দান করেছেন। আসুন কুরআন-সুন্নাহর আলোকে জেনে নিই এই মহিমান্বিত দিন-রজনীর খুঁটিনাটি।
জিলহজের প্রথম দশকের তাৎপর্য : কুরআন-হাদিসে এই দশকের বিশেষ তাৎপর্যের কথা বর্ণিত হয়েছে। স্বয়ং আল্লাহ তায়ালা এই দশকের সম্মান ও পবিত্রতা প্রকাশান্তে এই দশকের রজনীগুলোর নামে শপথ করেছেন। ইরশাদ হয়েছে, ‘শপথ ভোরবেলার, শপথ ১০ রাত্রির। (সূরা ফজর আয়াত : ১-২) হজরত আবদুুল্লাহ ইবনে আব্বাস রা:, হজরত আবদুল্লাহ ইবনে জুবাইর রা: ও মুজাহিদ রা:সহ বেশির ভাগ সাহাবি, তাবেয়ি ও মুফাসসিরের মতে, এখানে ১০ রাত্রির দ্বারা জিলহজ মাসের প্রথম ১০ রাতকেই বোঝানো হয়েছে। হাফেজ ইবনে কাছির রা: বলেন, ‘এটিই বিশুদ্ধ মতো। (তাফসিরে ইবনে কাছির ৪/৫৩৫-৫৩৬) হাদিস শরিফে এই দশককে দুনিয়ার সবচেয়ে উত্তম ও মর্যাদাবান দশক হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। হজরত জাবির রা: থেকে বর্ণিতÑ রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেনÑ ‘দুনিয়ার সর্বোত্তম দিনগুলো হলো জিলহজের প্রথম ১০ দিন। জিজ্ঞাসা করা হলো, আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও কি তার সমতুল্য নয়? তিনি বললেন, ‘আল্লাহর রাস্তায় জিহাদও তার সমতুল্য নয়, তবে ওই ব্যক্তি ব্যতীত, যার চেহারা ধূলিযুক্ত হয়েছে, অর্থাৎ শাহাদতের মর্যাদা লাভ করেছে।’ (মুসনাদে বাযযার-১১২৮; মুসনাদে আবু ইয়ালা-২০১০)
বিশেষ আমল : এই দশক যেহেতু নেক আমলের বিশেষ সময়। তাই এই ১০ দিনের যেকোনো আমল আল্লাহর কাছে প্রিয় ও পছন্দনীয়। সুতরাং আমাদের উচিত হবে এই ১০ দিন অধিক পরিমাণে নফল নামাজ আদায় করা, রোজা রাখা, জিকির-আসকার, কুরআন তিলাওয়াত, তাসবিহ-তাহলিল প্রভৃতি আদায় করা। তা ছাড়া বিভিন্ন হাদিসে এই দশকের বিশেষ কিছু আমলের কথাও বর্ণিত হয়েছে।
যেমন ১. জিলহজের চাঁদ দেখার পর থেকে কোরবানির আগ পর্যন্ত নিজের নখ, চুল, মোচ, নাভীর নিচের পশম প্রভৃতি না কাটা। এটি মুস্তাহাব আমল। হজরত উম্মে সালামা রা: থেকে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, তোমরা যদি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কোরবানি করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।’ (সহিহ মুসলিম-১৯৭৭; জামে তিরমিজি-১৫২৩) যে ব্যক্তি কোরবানি করতে সক্ষম নয় সেও এ আমল পালন করবে। অর্থাৎ নিজের চুল, নখ, গোঁফ প্রভৃতি কাটবে না; বরং তা কোরবানির দিন কাটবে। হজরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা: থেকে বর্ণিতÑ রাসূলুল্লাহ সা: ইরশাদ করেছেন, ‘আমি কোরবানির দিন সম্পর্কে আদিষ্ট হয়েছি (অর্থাৎ এ দিবসে কোরবানি করার আদেশ করা হয়েছে।) আল্লাহ তায়ালা তা এ উম্মতের জন্য ঈদ হিসেবে নির্ধারণ করেছেন। এক ব্যক্তি আরজ করল, ইয়া রাসূলুল্লাহ! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানিহা থাকে অর্থাৎ যা শুধু দুধপানের জন্য দেয়া হয়েছে, সেটিই কি কোরবানি করব? আল্লাহর রাসূল সা: বললেন, ‘না; বরং সে দিন তুমি তোমার চুল কাটবে (মুণ্ডাবে বা ছোট করবে), নখ কাটবে, মোচ ও নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটিই আল্লাহর কাছে তোমার পূর্ণ কোরবানি বলে গণ্য হবে।’ (মুসনাদে আহমদ-৬৫৭৫; সহিহ ইবনে হিববান-৭৭৩; সুনানে আবু দাউদ-২৭৮৯; সুনানে নাসায়ি-৪৩৬৫) অর্থাৎ যারা কোরবানি করতে সক্ষম নয় তারাও যেন মুসলমানদের সাথে ঈদের আনন্দ ও খুশি উদযাপনে অংশীদার হয়। তারা এগুলো কর্তন করেও পরিপূর্ণ সওয়াবের অধিকারী হবে। অনুরূপভাবে হাজীদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী হবে।
ঈদের দিন ছাড়া বাকি ৯ দিন রোজা রাখা : জিলহজের প্রথম দশকের আরেকটি বিশেষ আমল হলো, ঈদুল আজহার দিন ছাড়া প্রথম ৯ দিন রোজা রাখা। হাদিস শরিফে বর্ণিত হয়েছে, নবী করিম সা: এই ৯টি দিবসে (জিলহজ মাসের প্রথম ৯ দিন) রোজা রাখতেন।’ (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস-২৪৩৭; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস-২২২৩৪; সুনানে নাসায়ি, হাদিস-২৪১৬ অন্য হাদিসে হজরত হাফসা রা: বর্ণনা করেন, চারটি আমল নবী করিম সা: কখনো ছাড়তেন না। আশুরার রোজা, জিলহজের প্রথম দশকের রোজা, প্রতি মাসের তিন দিনের রোজা, ফজরের আগে দুই রাকাত সুন্নত নামাজ। (সুনানে নাসায়ি, হাদিস-২৪১৫; সহিহ ইবনে হিববান, হাদিস-৬৪২২; মুসনাদে আবু ইয়ালা-৭০৪২; মুসনাদে আহমাদ, হাদিস-২৬৩৩৯)
৯ তারিখ আরাফার দিনে রোজা রাখা : জিলহজের প্রথম ৯ দিনের মধ্যে নবম তারিখ আরাফার দিনের রোজা সর্বাধিক ফজিলতপূর্ণ। সহিহ হাদিসে এই দিবসের রোজার ফজিলত বর্ণিত হয়েছে। রাসূলুল্লাহ সা: বলেছেন, আরাফার দিনের (৯ তারিখের) রোজার বিষয়ে আমি আল্লাহর কাছে আশাবাদী যে, তিনি এর মাধ্যমে বিগত এক বছর ও আগামী এক বছরের গুনাহ মিটিয়ে দেবেন। (সহিহ মুসলিম-১১৬২; সুনানে আবু দাউদ-২৪২৫; জামে তিরমিজি-৭৪৯; সুনানে ইবনে মাজাহ-১৭৩০) আরেক হাদিসে এসেছে, ‘যে ব্যক্তি আরাফার দিন রোজা রাখবে তার লাগাতার দুই বছরের গুনাহ ক্ষমা করা হবে। (মুসনাদে আবু ইয়ালা-৭৫৪৮; মাজমাউজ জাওয়াইদ-৫১৪১) যারা জিলহজের ৯ দিন রোজা রাখতে সক্ষম হবে না তারা যেন অন্তত এই দিনের রোজা রাখা থেকে বঞ্চিত না হয়। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সবাইকে জিলহজের এই ১০ দিনসহ অন্যান্য বিশেষ বৈশিষ্ট্যমণ্ডিত দিনগুলোতে ইবাদত-বন্দেগি করার তাওফিক দিন। আমিন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন