1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
জেনে নিন তারাবির নামাজের গুরুত্ব
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় সকাল ৮:৪০ আজ বুধবার, ২৯শে বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ১২ই মে, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২৯শে রমজান, ১৪৪২ হিজরি




জেনে নিন তারাবির নামাজের গুরুত্ব

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : রবিবার, ২ মে, ২০২১
  • ২০ বার দেখা হয়েছে
জেনে নিন তারাবির নামাজের গুরুত্ব

‘তারাবি’ আরবি শব্দ। এর আভিধানিক অর্থ-ইস্তিরাহাত বা আরাম করা, বিশ্রাম নেওয়া ইত্যাদি। যেহেতু ২০ রাকায়াত তারাবির নামাজ প্রতি চার রাকায়াত অন্তর বিরতি দিয়ে আরামের সঙ্গে আদায় করা হয়, সে জন্য এ নামাজকে তারাবির নামাজ বলা হয়।

হযরত সালমান ফরসি (রা) সূত্রে বায়হাকি শরিফে বর্ণিত, রসুলে কারিম (স) শাবান মাসের শেষ দিন রমজানকে স্বাগত জানিয়ে যে গুরুত্বপূর্ণ ভাষণ দিয়েছিলেন, তাতে তিনি উল্লেখ করেন, ‘হে লোক সকল! একটি সম্মানিত ও কল্যাণময় মাস তোমাদের সামনে হাজির হয়েছে। এ মাসে এমন একটি রাত আছে যা হাজার মাসের চেয়েও উত্তম। এ মাসের রোজা আল্লাহ তোমাদের জন্য ফরয করেছেন এবং রাতের কেয়াম তথা তারাবিকে সুন্নাত করা হয়েছে। যে ব্যক্তি এ মাসে কোনো একটি নফল এবাদত করে আল্লাহর নৈকট্য লাভের চেষ্টা করবে, সে যেন একটি ফরয আদায় করল, আর যে ব্যক্তি এ মাসে একটি ফরয আদায় করল সে যেন অন্য মাসে ৭০টি ফরয আদায় করল।’

রসুলের এই ঘোষণা থেকে আমরা জানতে পারি, তারাবিহর নামাজ সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ। তারাবিহর বিধান ফরয বা ওয়াজিব হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় নবি করিম (স) সাহাবিদের নিয়ে জামাতে ২০ রাকায়াত তারাবি আদায় করেননি। রসুলের ইন্তেকালের পর তারাবি ওয়াজিব হওয়ার সম্ভাবনা আর না থাকায়, হযরত উমার (রাযি)-এর যুগে যখন মসজিদে নববিতে সাহাবায়ে কেরাম খণ্ড খণ্ডভাবে জামাতে তারাবি আদায় করছিলেন, তখন সব সাহাবায়ে কেরাম বৈঠক করে ঐক্যমত্যের ভিত্তিতে জামাতের সঙ্গে ২০ রাকায়াত তারাবি পড়ার ওপর ইজমা কায়েম করেন। ইজমায়ে উম্মাহও শরীয়তের একটি ভিত্তি।

তারাবির ফজিলত সম্পর্কে বুখারির এক বর্ণনায় এসেছে, রসুলুল্লাহ সা. বলেন, ‘যে ব্যক্তি ইমানি চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে সাওয়াবের আশায় রমযান মাসে তারাবি পড়বে, তার অতীত জীবনের সব গোনাহ মাফ করে দেওয়া হবে।’ রোজার মতো তারাবি যদিও ফরয করা হয়নি তবে তারাবির বিধান সুন্নাতে মুয়াক্কাদাহ, একটি গুরুত্বপূর্ণ সুন্নাহ। তারাবি দ্বারা পবিত্র মাহে রমজানে কোরআনের হক আদায় হয়। আমরা পূর্ণ মাস খতম তারাবি আদায় করলে এক খতম কোরআনের সাওয়াব পেয়ে যাব। আর এর অসিলায় হয়তো আল্লাহ আমাদেরকে ক্ষমা করবেন।

 

 

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন