1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
আল্লাহর ওপর সুধারণা পোষণ করাও ইবাদত
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ৩:৩১ আজ মঙ্গলবার, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি




আল্লাহর ওপর সুধারণা পোষণ করাও ইবাদত

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : সোমবার, ৫ এপ্রিল, ২০২১
  • ১০ বার দেখা হয়েছে
আল্লাহর ওপর সুধারণা পোষণ করাও ইবাদত

মুমিন কখনো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হবে না। আবার তার মধ্যে থাকা আল্লাহভীতি তাকে কখনো গুনাহের অতল সাগরে ডুব দেওয়ার সুযোগ দেবে না। এটিই প্রকৃত মুমিনের বৈশিষ্ট্য। তারা সর্বদা আল্লাহর ওপর পূর্ণ বিশ্বাস রাখবে। প্রিয় নবী (সা.) তাঁর উম্মতকে এই শিক্ষাই দিয়েছেন।

জাবির (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সা.)-এর মৃত্যুর তিন দিন আগে তাঁকে আমি এ কথা বলতে শুনেছি যে তোমাদের সবাই যেন আল্লাহর প্রতি উত্তম ধারণা পোষণরত অবস্থায় মারা যায়। (মুসলিম, হাদিস : ৭১২১)। অর্থাৎ আল্লাহর ভয়ে যেমন সর্বদা পাপ ও গুনাহের কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে, তেমনি আল্লাহর ওপর এই সুধারণাও রাখতে হবে যে তিনি অবশ্যই আমাদের ক্ষমা করে দেবেন। তিনি দয়ার সাগর। আমরা যতই গুনাহ করি, যখনই তাঁর দরবারে তাওবা করি, তিনি আমাদের তাওবা কবুল করেন। কখনো নিজেকে পাপী ভেবে মহান আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হওয়া যাবে না। তাওবা ইস্তিগফার বন্ধ করা যাবে না। কারণ মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের ভালোবাসেন। যারা তাঁর দরবারে তাওবা করে তিনি তাদের ভীষণ ভালোবাসেন। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, ‘আল্লাহ তাওবাকারীদের ভালোবাসেন।’ (সুরা বাকারা, আয়াত : ২২২)

রাসুল (সা.) ইরশাদ করেছেন, প্রতিটি আদম সন্তানই গুনাহগার। তবে গুনাহগারদের মধ্যে তাওবাকারীরা উত্তম। (ইবনে মাজাহ, আয়াত : ৪২৫১)

আবার শুধু নিজ আমলের বলেই জান্নাতে চলে যাব—এ ধারণাও পোষণ করা যাবে না। রাসুল (সা.) বলেছেন, কস্মিনকালেও তোমাদের কাউকে তার নিজের ‘আমল কখনো নাজাত দেবে না।’ তারা বলল, হে আল্লাহর রাসুল, আপনাকেও না? তিনি বলেন, আমাকেও না। তবে আল্লাহ আমাকে তাঁর রহমত দিয়ে আবৃত রেখেছেন। তোমরা যথারীতি আমল করে নৈকট্য লাভ করো। তোমরা সকালে, বিকেলে এবং রাতের শেষভাগে আল্লাহর ইবাদত করো। মধ্যপন্থা অবলম্বন করো। মধ্যপন্থা তোমাদের লক্ষ্যে পৌঁছাবে। (বুখারি, হাদিস : ৬৪৬৩)

এ জন্য মুমিন কখনো তার আমল নিয়ে অহংকার করবে না; বরং আল্লাহর রহমতের ওপরই ভরসা করবে। আবার কোনো গুনাহ হয়ে গেলে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশও হবে না; বরং মহান আল্লাহর কাছে তাওবা করবে। কারণ হতাশা ও নিরাশা কুফরের নিদর্শন। এর বিপরীতে আল্লাহর রহমতের আশা পূর্ণ ঈমানের আলামত। মানবজীবনের সবচেয়ে বড় সম্পদ হলো ঈমান। ইহকালীন জীবনের সাফল্য আর পরকালীন জীবনের মুক্তি একমাত্র ঈমানের পথ ধরেই অর্জিত হতে পারে। পরিপূর্ণ ঈমান ছাড়া পূর্ণাঙ্গ সাফল্য ও নিঃশর্ত মুক্তিলাভ সম্ভব নয়। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের রহমতের আশা ও শাস্তির ভয়—এ দুইয়ে মিলে ঈমানদার ব্যক্তির ঈমান পরিপূর্ণ হয়। আল্লাহর রহমতের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আশা জীবনের গতিকে নিয়ন্ত্রণহীন করে দেয়। ফলে ব্যক্তির কর্মময় জীবন ঈমানের গণ্ডিকে অতিক্রম করে যায়। পক্ষান্তরে নিরন্তর পরকালীন শাস্তির ভয় তাকে হতাশাগ্রস্ত ও কর্মহীন করে তোলে। অন্যদিকে মানব মনে ভয় ও আশার সমন্বিত অবস্থান তার জীবনের গতিকে ঈমানের সূক্ষ্মাতিসূক্ষ্ম সরলরেখার ওপর নিয়ন্ত্রণ করে। তাই আমাদের উচিত, সর্বাবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করা। তাঁর প্রতি সুধারণা পোষণ করা। আল্লাহর কাছে বেশি বেশি তাওবা করা। তিনি অবশ্যই আমাকের সব পাপ ক্ষমা করে দেবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন