1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে চাপ বাড়াবেন তাঁরা
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ৪:০৪ আজ শনিবার, ২১শে ফাল্গুন, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৬ই মার্চ, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ২১শে রজব, ১৪৪২ হিজরি




পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে চাপ বাড়াবেন তাঁরা

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : সোমবার, ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২১
  • ২৫ বার দেখা হয়েছে
পরীক্ষার্থীদের উচ্চশিক্ষায় ভর্তিতে চাপ বাড়াবেন তাঁরা

দেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এবার ৫ লাখ শিক্ষার্থীর ফল দাঁড়িয়েছে জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর নিচে। সংখ্যাটি গত বছরের দ্বিগুণের বেশি। এবার পরীক্ষার্থীদের এই অংশই উচ্চশিক্ষার ভর্তিতে চাপ বাড়াবেন।

এর বাইরে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থী তো রয়েছেনই। জিপিএ-৩ থেকে ৪-এর নিচে ফল করা অনেক পরীক্ষার্থীও কোনো কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন করার সুযোগ পাবেন। ফলে এবার বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির যুদ্ধ হবে যেকোনো সময়ের চেয়ে কঠিন।

করোনা মহামারির কারণে এবার পরীক্ষা ছাড়া মূল্যায়নে সবাই পাস করেছেন। ফলে এইচএসসি, মাদ্রাসার আলিম ও কারিগরিতে এবার পাস করা শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ৩ লাখ ৭৯ হাজার বেশি। মোট সংখ্যা ১৩ লাখ ৬৭ হাজারের মতো। বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) মোট ভর্তিযোগ্য আসনের হিসাব দিচ্ছে, তাতেও ৫০ হাজার শিক্ষার্থীর ভর্তির সুযোগ নেই।ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা মোট পরীক্ষার্থীর ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪০ জনের ফল জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর নিচে, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৭ শতাংশ।

যদিও দেশে ভর্তির লড়াইটা হয় মূলত বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে। বিশেষ করে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, মেডিকেল কলেজ, স্বনামধন্য কিছু সরকারি কলেজ এবং ভালো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তির লড়াই হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, এবার লড়াই তীব্রতর রূপ পাবে। কারণ, গতবারের তিন গুণ শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছেন। আর ৪ থেকে ৫-এর নিচে পেয়েছেন দ্বিগুণ শিক্ষার্থী।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মু. জিয়াউল হক বলেন, এটা ঠিক যে এবার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তিতে চাপ পড়বে। তবে যারা ভর্তি পরীক্ষায় ভালো করবে, তারাই ভালো জায়গায় ভর্তি হতে পারে। তিনি বলেন, মূলত বিষয় ‘ম্যাপিং’-এর কারণেই এবার ফল বেশি ভালো হয়েছে।

এবার ‘বিষয় ম্যাপিং’ পদ্ধতিতে জেএসসি ও এসএসসির গুরুত্বপূর্ণ কিছু বিষয়ের নম্বরকে বিবেচনা করে এইচএসসির বিষয়গুলোর নম্বর নির্ধারণ করা হয়। এই বিষয়গুলোসহ আগের দুই পাবলিক পরীক্ষায় যারা ভালো ফল করেছিলেন, তাদের ফলই এবারের এইচএসসি পর্যায়ে ভালো হয়েছে।

জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর নিচে ৩৭%

ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করা মোট পরীক্ষার্থীর ৪ লাখ ৯৯ হাজার ৭৪০ জনের ফল জিপিএ-৪ থেকে ৫-এর নিচে, যা মোট পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩৭ শতাংশ। এই সংখ্যা গত বছরের চেয়ে ১০২ শতাংশ বেশি। এঁরা বিষয়ভেদে ৭০ থেকে ৭৯ পর্যন্ত নম্বর পেয়েছেন।

এ ছাড়া গতবারের চেয়ে এবার তিন গুণ জিপিএ-৫ পেয়েছেন, যা সংখ্যায় ১ লাখ ৬১ হাজার ৮০৭। আর জিপিএ-৩ দশমিক ৫ থেকে ৪-এর নিচে পেয়েছেন ৩ লাখ ৪১ হাজার ৪৪ জন এবং জিপিএ-৩ থেকে ৩ দশমিক ৫-এর নিচে পেয়েছেন ২ লাখ ১৭ হাজার ৯৬৩ জন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে গত শিক্ষাবর্ষে বিজ্ঞানের বিষয়ের ক ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদনের যোগ্যতা ছিল এসএসসি ও এইচএসসি মিলে কমপক্ষে জিপিএ-৮। খ ইউনিটে ৭ এবং গ ইউনিটে ৭ দশমিক ৫।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার ভর্তিতে আবেদনের যোগ্যতা কী হবে, তা এখনো নির্ধারণ করা হয়নি। তবে প্রথমবারের মতো গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিতে যাওয়া দেশের ২০টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে এবার মানবিক বিভাগের পরীক্ষায় অংশ নিতে হলে এসএসসি ও এইচএসসি পর্যায়ে মোট জিপিএ-৬ থাকতে হবে। বাণিজ্যের ক্ষেত্রে ৬ দশমিক ৫ এবং বিজ্ঞানে তা ৭ নির্ধারণ করা হয়েছে।

ইউজিসির হিসাব অনুযায়ী, দেশের ৩৯টি সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন আছে ৬০ হাজারের কিছু বেশি। সরকারি ও বেসরকারি মেডিকেল কলেজ ও ডেন্টালে আসন আছে সাড়ে ১০ হাজারের মতো। এগুলোতেই হবে মূলত ভর্তির মূল যুদ্ধ। ইউজিসির সদস্য অধ্যাপক মুহাম্মদ আলমগীর বলেছেন, পছন্দের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও বিষয়ে ভর্তিতে তীব্র প্রতিযোগিতা হবে। তবে পাস করা প্রায় সব পরীক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ পাবে।

এদিকে বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার মফস্বল এলাকার ছাত্রীদের ফল তুলনামূলক ভালো হয়েছে। এমনকি পিছিয়ে পড়া হিসেবে পরিচিত জেলাগুলোর ছাত্রীরাও ফলের সর্বোচ্চ সূচক জিপিএ-৫ বেশি পেয়েছেন।

যেমন চারটি জেলা নিয়ে গঠিত সিলেট শিক্ষা বোর্ডের সুনামগঞ্জ জেলা বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে। কিন্তু এইচএসসির ফল বলছে, এই জেলায় ছাত্রীরা বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের বিভিন্ন জেলার ফল বিশ্লেষণ করে আরও দেখা যায়, ঢাকা মহানগরী ও রাজবাড়ী ছাড়া বাকি ১২টি জেলাতেই ছাত্রীরা বেশি জিপিএ-৫ পেয়েছেন। যেমন শরীয়তপুর জেলায় ১৯৯ জন জিপিএ-৫ পাওয়া পরীক্ষার্থীর মধ্যে ১৪৯ জনই ছাত্রী। সংখ্যার দিক দিয়েও ঢাকা বোর্ডের অধীন বেশির ভাগ জেলার ছাত্রীরা এগিয়ে আছেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এস এম হাফিজুর রহমান বলেন, সচেতনতা ও উৎসাহের কারণে শিক্ষায় নারীদের অংশগ্রহণ বেড়েছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন