1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
সুখী সমৃদ্ধ জীবনের জন্য যা করণীয়
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় সকাল ৭:৫১ আজ রবিবার, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি




সুখী সমৃদ্ধ জীবনের জন্য যা করণীয়

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শনিবার, ২১ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৪ বার দেখা হয়েছে
সুখী সমৃদ্ধ জীবনের জন্য যা করণীয়

আমরা সবাই সুখী হতে চাই, সুখপাখির পেছনে ছুটে ছুটেই তাই আমাদের জীবন কেটে যায়। কিন্তু বেশির ভাগ লোকই সুখপাখির দেখা না পেয়ে দুনিয়া থেকে বিদায় হয়ে যাই। চলে যাই জীবন থেকে মহাজীবনের যাত্রায়। যে জীবনের কোনো অন্ত নেই। যে জীবনের কোনো মৃত্যু নেই। মূলত সে জীবনের সফলতার চাবি অর্জনের জন্যই আমাদের দুনিয়াতে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু আমরা দুনিয়ার মিথ্যা সুখপাখির মোহে পড়ে সেই আসল জীবনের কথাই ভুলে যাই। কিন্তু আমরা যদি পবিত্র কোরআন অনুসরণ করতে পারি, তবে উভয় জাহানের শান্তি ও পবিত্র জীবন আমরা অর্জন করতে পারি।

পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেছেন, ‘যে মুমিন অবস্থায় নেক আমল করবে, পুরুষ হোক বা নারী, অবশ্যই আমি তাকে পবিত্র জীবন দান করব। আর অবশ্যই আমি তাদের তারা যা করত তার তুলনায় শ্রেষ্ঠ প্রতিদান দেব। (সুরা : নাহাল, আয়াত : ৯৭)

বেশির ভাগ তাফসিরবিদের মতে এখানে ‘হায়াতে তাইয়্যেবা’ বলতে দুনিয়ার পবিত্র ও আনন্দময় জীবন বোঝানো হয়েছে। আলী (রা.) এর (হায়াতে তাইয়্যেবার) অর্থ করেছেন অল্পে তুষ্টি। দাহহাক বলেন, এখানে ‘হায়াতে তাইয়্যেবা’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, হালাল রিজিক ও দুনিয়াতে ইবাদত করার তাওফিক। কোনো কোনো তাফসিরবিদের মতে এর অর্থ আখিরাতের জীবন। হাসান, মুজাহিদ ও কাতাদা বলেন, জান্নাতে যাওয়া ছাড়া কারোই জীবন স্বাচ্ছন্দ্যময় হতে পারে না। সঠিক কথা হচ্ছে, হায়াতে তাইয়্যেবা এসব অর্থের সবগুলোকেই শামিল করে। (ইবন কাসীর)

অর্থাৎ ‘হায়াতে তাইয়্যেবা’ মানে যেমন ক্ষণস্থায়ী দুনিয়ার শান্তিময় ও ইবাদতপূর্ণ জীবন বোঝানো হয়েছে, তেমনি জান্নাতের স্থায়ী সুখ-শান্তিও বোঝানো হয়েছে। অনেকের প্রশ্ন জাগতে পারে, তাহলে দুনিয়ায় মহান আল্লাহ গুনাহগার কিংবা কাফেরদের এত সম্পদ দেন কেন! এর উত্তর হলো, এখানে পবিত্র জীবনের অর্থ এই নয় যে, সে কখনো অনাহার-উপবাস ও অসুখ-বিসুখের সম্মুখীন হবে না। বরং অর্থ এই যে, মুমিন ব্যক্তি কখনো আর্থিক অভাব-অনটন কিংবা কষ্টে পতিত হলেও দুটি বিষয় তাকে উদ্বিগ্ন হতে দেয় না। এক. অল্পে তুষ্টি এবং অনাড়ম্বর জীবন যাপনের অভ্যাস, যা দারিদ্র্যের মাঝেও কেটে যায়। দুই. তার এ বিশ্বাস যে, এ অভাব-অনটন ও অসুস্থতার বিনিময়ে আখিরাতে সুমহান, চিরস্থায়ী নিয়ামত পাওয়া যাবে। কাফের ও পাপাচারীর অবস্থা এর বিপরীত। সে অভাব-অনটন ও অসুস্থতার সম্মুখীন হলে তার জন্য সান্ত্বনার কোনো ব্যবস্থা নেই। ফলে সে কাণ্ডজ্ঞান হারিয়ে ফেলে।

আর যার মধ্যে আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাস থাকবে না, কষ্টের উত্তম বিনিময় পাওয়ার আশা থাকবে না, সেই হতাশাগ্রস্ত হবে। মানসিকভাবে বিধ্বস্ত থাকবে। যা কখনই কোনো মানুষকে সুখী হতে দেয় না। বরং অল্পে তুষ্টি ও আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাসই মানুষকে সুখী করে, যা ঈমান ও নেক আমল তথা ভালো কাজের মাধ্যমে অর্জিত হয়। এর মাধ্যমে আত্মা প্রশান্ত হয়। যে প্রশান্তি দুনিয়ার জীবন থেকে শুরু করে আখিরাতের অনন্ত জীবনেও স্থায়ী থাকবে। এবং আখিরাতের জীবনে পূর্ণতা লাভ করবে। পবিত্র কোরআনে মহান আল্লাহ বলেন, নিশ্চয় যারা ঈমান এনেছে এবং সৎকাজ করেছে, আমরা তো তার শ্রমফল নষ্ট করি না—যে উত্তমরূপে কাজ সম্পাদন করেছে। তারাই এরা, যাদের জন্য আছে স্থায়ী জান্নাত, যার পাদদেশে নদীসমূহ প্রবাহিত, সেখানে তাদেরকে স্বর্ণকঙ্কণে অলংকৃত করা হবে, তারা পরবে সূক্ষ্ম ও পুরু রেশমের সবুজ বস্ত্র, আর তারা সেখানে থাকবে হেলান দিয়ে সুসজ্জিত আসনে; কত সুন্দর পুরস্কার ও উত্তম বিশ্রামস্থল। (সুরা : কাহাফ, আয়াত : ৩০-৩১)

অতএব আমাদের সবার উচিত, দুনিয়া ও আখিরাতের স্থায়ী শান্তির জন্য বেশি বেশি ভালো কাজে আত্মনিয়োগ করা, ইবাদত-বন্দেগিতে মনোনিবেশ করা। আল্লাহ আমাদের সবাইকে তাওফিক দান করুন। আমিন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন