1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
অনিশ্চয়তা ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় সকাল ৭:০৪ আজ রবিবার, ২১শে অগ্রহায়ণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৬ই ডিসেম্বর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২০শে রবিউস সানি, ১৪৪২ হিজরি




অনিশ্চয়তা ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ১৭ নভেম্বর, ২০২০
  • ১৭ বার দেখা হয়েছে
অনিশ্চয়তা ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে

মহামারী করোনা চলতি বছরের পুরো শিক্ষাপঞ্জিকে করে দিয়েছে এলোমেলো। প্রতিবছর নভেম্বর মাসে ভর্তির পদ্ধতি ঠিক করে ডিসেম্বরের শুরুতে নেয়া হয় ভর্তির আবেদন। এরপর লটারি ও ভর্তি পরীক্ষা শেষে ডিসেম্বরের মধ্যেই ভর্তির কাজটি শেষ করা হয়।

১ জানুয়ারি থেকে শুরু হয় নতুন শিক্ষাবর্ষ। কিন্তু করোনার কারণে চলতি বছরের মার্চের শেষ দিক থেকে প্রায় সাত মাস ধরে বন্ধ রয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। সর্বশেষ ছুটি বাড়ানো হয়েছে আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

তাই পরীক্ষা ছাড়া বিকল্প পদ্ধতিতে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী ক্লাসে উত্তীর্ণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ অবস্থায় সরকারি-বেসরকারি সব ধরনের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে আগামী বছরের জন্য শিক্ষার্থী কীভাবে ভর্তি করা হবে- তা নিয়ে তৈরি হয়েছে অনিশ্চয়তা। তবে সংক্রমণের ঝুঁকি বিবেচনা করে ২০২১ শিক্ষাবর্ষে স্কুলের ভর্তি পরীক্ষা না নেয়ার প্রস্তাব দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি)। ভর্তি পরীক্ষার পরিবর্তে প্রতিটি শ্রেণিতেই শূন্য আসনের বিপরীতে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী বাছাই করে ভর্তি করার প্রস্তাব দেয়া হয়েছে।

সূত্র জানায়, গত মঙ্গলবার মাউশির মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মো. গোলাম ফারুক স্বাক্ষরিত এ-সংক্রান্ত প্রস্তাব পত্র শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিবের কাছে পাঠানো হয়। এতে এ বছরের জন্য ভর্তি পরীক্ষা বাতিল করে লটারির মাধ্যমে শিক্ষার্থী ভর্তি ছাড়াও বিকল্প আরো দুটি প্রস্তাব রাখা হয়েছে। তবে আলোচনায় নেই বেসরকারি বিদ্যালয়গুলোর ভর্তি পরীক্ষা।

মাউশি সূত্রে জানায়, বর্তমানে সারাদেশে ৬৮৩টি সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজধানীতে আছে ৪২টি। আর বেসরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয় সারাদেশে আছে ১৯ হাজার ৪২১টি। বেসরকারি স্কুলগুলোর মধ্যে ১৬ হাজার ৭৭৫টি এমপিওভুক্ত, বাকি দুই হাজার ৬৪৬টি নন-এমপিও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। এর বাইরে মিশনারি পরিচালিত কোনো কোনো বিদ্যালয় এবং কলেজ তাদের নিজস্ব নীতিমালা অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করে থাকে। সে সংখ্যা অবশ্য হাতেগোনা।

ভর্তি পরীক্ষা প্রসঙ্গে মাউশির উপ-পরিচালক মো. এনামুল হক হাওলাদার বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কাছে প্রস্তাব পাঠানো হয়েছে। এখন তারা ঠিক করবে, কীভাবে হবে ভর্তি। আর শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, ভর্তির বিষয়ে চ‚ড়ান্ত সিদ্ধান্ত শিগগিরই জানানো হবে। এখন মাউশির প্রস্তাব নিয়ে কাজ চলছে।

বর্তমানে স্কুলগুলোয় প্রথম শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয় লটারির মাধ্যমে। তবে দ্বিতীয় থেকে অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত পরীক্ষার মাধ্যমে ভর্তি হয়। আর নবম শ্রেণিতে ভর্তি করা হয় জেএসসি ও জেডিসির ফলের ভিত্তিতে। তবে করোনার কারণে এবার জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা হয়নি। ফলে এবার বিকল্প উপায়ে ভর্তি করা হবে।

এদিকে আসন্ন শিক্ষাবর্ষের ভর্তির কাজটি কীভাবে হবে- সেটি নিয়ে ভর্তি-ইচ্ছুক শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা রয়েছেন উদ্বেগ-উৎকণ্ঠায়। ভর্তি পরীক্ষা বাতিলের প্রস্তাব নিয়ে অভিভাবকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া রয়েছে। কেউ কেউ মনে করেন এটি করলে ভালো হবে, কেউ আবার মনে করছেন উল্টো। ভর্তি পরীক্ষা না হলে মেধাবী অনেক ভর্তিচ্ছু কাক্সিক্ষত প্রতিষ্ঠানে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করছেন অনেক অভিভাবক।

আব্দুর রহিম নামে এক অভিভাবক জানান, তার ছেলের জন্য তিনি এরই মধ্যে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল ও সেন্ট যোসেফ স্কুলে ভর্তির জন্য ভর্তি ফরম তুলেছেন। ইতোমধ্যে কোচিংও করাচ্ছেন। দুই বিদ্যালয়েই ১৮ ও ১৯ ডিসেম্বর একই দিনে ভর্তি পরীক্ষার তারিখ পড়েছে। এ নিয়ে এক রকম দুশ্চিন্তায় আছেন। এখন যদি ভর্তি পরীক্ষাই না হয়, তাহলে লটারি নামক ভাগ্যের ওপর ভিত্তি করে ভর্তি নেয়া হলে বহু মেধাবী শিক্ষার্থী নামিদামি প্রতিষ্ঠানগুলোতে ভর্তি থেকে বঞ্চিত হবে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন