1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতি ঠিক হবে আজ - বাংলার দর্পন
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় দুপুর ২:৫৯ আজ মঙ্গলবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি




বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পদ্ধতি ঠিক হবে আজ

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শনিবার, ১৭ অক্টোবর, ২০২০
  • ১৩ বার দেখা হয়েছে

এবার করোনার কারণে সশরীরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যাবে কি না, সেই প্রশ্নটি সামনে এসেছে। এ ছাড়া এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সরাসরি না নিয়ে জেএসসি, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার গড় ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ অবস্থায় এইচএসসির ফলের পয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে যুক্ত হবে কি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
এবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি পরীক্ষা কীভাবে হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন ধরনের প্রস্তাব করা হয়েছে। এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে আজ শনিবার উপাচার্যদের সংগঠন বিশ্ববিদ্যালয় পরিষদের সভা ডাকা হয়েছে। ওই সভার সিদ্ধান্তের ভিত্তিতে এ বিষয়ে পরবর্তী পদক্ষেপ নেবে উচ্চশিক্ষা তদারকি প্রতিষ্ঠান বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।
করোনাভাইরাস মহামারির মধ্যে আটকে যাওয়া উচ্চ মাধ্যমিক ও সমমানের পরীক্ষা হচ্ছে না। জেএসসি ও এসএসসির ফলাফলের গড় করে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতে করে প্রায় ১৪ লাখ শিক্ষার্থী এবার এইচএসসিতে পাস করছে। গত ১ এপ্রিল থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল, যাতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর। কিন্তু দেশে করোনাভাইরাসের প্রকোপ দেখা দেওয়ার পর ১৭ মার্চ থেকে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেওয়া হয়। এতে করে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষাও আটকে যায়। বছর প্রায় শেষ হয়ে আসায় এ পরীক্ষা নিয়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠায়
শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা। উচ্চ মাধ্যমিকের পরই শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ের লেখাপড়ায় যায়। ভবিষ্যতে তারা কীভাবে কোন পেশায় যেতে পারবে, এ পর্যায়েই তা অনেক ক্ষেত্রে নির্ধারিত হয়ে যায়। ফলে এইচএসসির ফল শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু মহামারির এই নজিরবিহীন পরিস্থিতিতে বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর এই প্রথম পরীক্ষা না নিয়ে বিকল্প মূল্যায়নে যেতে হয় সরকারকে। এর আগে এ বছর প্রাথমিক ও ইবতেদায়ি শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা বাতিল করে স্ব-স্ব প্রতিষ্ঠানে পরীক্ষা বা মূল্যায়নের নির্দেশনা দেওয়া রয়েছে। অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল সার্টিফিকেট (জেডিসি) পরীক্ষাও বাতিল করা হয়েছে। নভেম্বরে এসব পরীক্ষা হওয়ার কথা ছিল।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ও অনলাইন শিক্ষা কার্যক্রম নিয়ে বৃহস্পতিবার বিকালে পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যদের সঙ্গে ইউজিসির এক ভার্চুয়াল সভা হয়। সেখানেই জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের কলেজগুলোর মতো অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়েও পরীক্ষা ছাড়াই কেবল এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করার বিষয়টি বিবেচনা করা যায় কি না বা অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, এ ধরনের বিভিন্ন প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা হয়। সেখানেই সিদ্ধান্ত হয় আজকের সভায় এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত হবে।
বর্তমানে দেশে ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় থাকলেও ৩৯টিতে সরাসরি শিক্ষার্থী ভর্তি করা হয়। এর আগে গত বছরের  সিদ্ধান্ত হয়েছিল চারটি স্বায়ত্তশাসিত বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, রাজশাহী ও চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়) ও বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বাকি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে তিনটি গুচ্ছ করে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। এর মধ্যে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে একটি, সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে আরেকটি এবং প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে নিয়ে আরেকটি গুচ্ছ করে এই ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে। কিন্তু এবার করোনার কারণে সশরীরে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যাবে কি না, সেই প্রশ্নটি সামনে এসেছে। এ ছাড়া এ বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা সরাসরি না নিয়ে জেএসসি, এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার গড় ফলের ভিত্তিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত হয়েছে। এ অবস্থায় এইচএসসির ফলের পয়েন্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতে যুক্ত হবে কি না, সেটি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হারুন-উর-রশিদ জানিয়েছেন, জাতীয় বিশ^^বিদ্যালয়ের অধীন কলেজগুলোতে আগের মতোই পরীক্ষা ছাড়া কেবল এসএসসি, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে অন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও একইভাবে শিক্ষার্থী ভর্তির বিষয়টি বিবেচনা করতে পারে বলে তিনি প্রস্তাব দেন। তবে এ বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।
যেহেতু করোনার কারণে এইচএসসি পরীক্ষা হয়নি, সেখানে বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যাবে কি না, সেটি নিয়েও আলোচনা হয়। কারণ এবার এইচএসসি পরীক্ষা না হওয়ায় প্রায় ১৪ লাখ পরীক্ষার্থীর সবাই পাস করবে। ফলে বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির চেষ্টা করবে। যেখানে এইচএসসি পরীক্ষা নেওয়া হয়নি, একই সমস্যা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিতেও দেখা দেবে। এ অবস্থায় অনলাইনে ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া যায় কি না, তা নিয়েও আলোচনা হয়।
গুচ্ছভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষায় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার নম্বর যুক্ত হচ্ছে কি না, বিষয়টি জানতে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের অপেক্ষা করতে হবে বলে জানিয়েছেন গুচ্ছভিত্তিক বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি পরীক্ষা কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় উপাচার্য অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান।
তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে বিশদ আলোচনার জন্য বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর উপাচার্যদের নিয়ে বসতে হবে, যা নিরাপত্তাজনিত কারণে অনলাইনে সম্ভব না। তবে বিষয়টি এগিয়ে নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। শুধু মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক ফলাফলের ওপর ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের বসে থাকা চলবে না। প্রতিবছর দেখা যায় অনেক ভালো ফল নিয়েও শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারে না। আবার ফল ভালো না থাকার পরও অনেকে ভর্তি পরীক্ষায় কৃতিত্ব দেখায়। তিনি বলেন, করোনাভাইরাস সঙ্কটে এ বছর উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষা সরাসরি গ্রহণ না করে, ভিন্ন পদ্ধতিতে মূল্যায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। নিশ্চয়ই এর চেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত কেউ দিতে পারেনি। এখন উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। প্রতিটি বিষয়ে নম্বরসহ আগের মতোই ফলাফল দিতে হবে। যাতে শিক্ষার্থীদের দেশ-বিদেশে উচ্চ শিক্ষা গ্রহণে কোনো অসুবিধা না হয়।
এর আগে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, যারা এসএসসি পাসের পর এইচএসসিতে (কেউ বিজ্ঞান থেকে ব্যবসায় শিক্ষা বা মানবিকে ভর্তি) বিভাগ পরিবর্তন করেছে, তাদের মূল্যায়নের জন্য বিশেষজ্ঞ কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি বিভাগ পরিবর্তন করা শিক্ষার্থীদের বিষয়টি ঠিক করবে। তাদের পরামর্শে বিভাগ পরিবর্তনকারীদের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মূল্যায়নের ক্ষেত্রে জেএসসি এবং এসএসসির কত শতাংশ করে নেওয়া হবে এই প্রশ্নে মন্ত্রী বলেছিলেন, এই পরামর্শক কমিটি সেটি নির্ধারণ করবে।
তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষার ভর্তি কীভাবে হবে এখনই বলা সমীচীন হবে না। আলাপ-আলোচনা করে ঠিক করা হবে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি কীভাবে হবে। তবে করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্ববিদ্যালয়ে সমন্বিত ভর্তির আশা প্রকাশ করেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন