1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
যা ঘটেছিল কারবালার ময়দানে - বাংলার দর্পন
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় দুপুর ২:০৭ আজ মঙ্গলবার, ৪ঠা কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২০শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ২রা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি




যা ঘটেছিল কারবালার ময়দানে

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : রবিবার, ৩০ আগস্ট, ২০২০
  • ৩৬ বার দেখা হয়েছে
যা ঘটেছিল কারবালার ময়দানে

৬০ হিজরিতে ইরাকবাসী যখন জানতে পারল হুসাইন (রা.) ইয়াজিদ ইবনে মুয়াবিয়া (রা.)-এর হাতে বাইয়াত গ্রহণ করেননি, তখন তারা প্রায় ১৫০ মতান্তরে ৫০০ চিঠি পাঠিয়ে হুসাইন (রা.)-এর হাতে খেলাফতের বাইয়াত করতে আগ্রহ প্রকাশ করে। হুসাইন (রা.) প্রকৃত অবস্থা যাচাইয়ের জন্য চাচাতো ভাই মুসলিম ইবনে আকিলকে কুফায় পাঠান এবং কুফাবাসী হুসাইন (রা.)-এর পক্ষে মুসলিমের হাতে বাইআত গ্রহণ করতে শুরু করে। ইয়াজিদ উবায়দুল্লাহ বিন জিয়াদ তাঁর বিরুদ্ধে কুফাবাসীর বিদ্রোহ দমন করার দায়িত্ব প্রদান করে। উবায়দুল্লাহ কুফাবাসীকে ইয়াজিদের ব্যাপারে হুঁশিয়ার করলে তারা বাইয়াত ভঙ্গ করে পলায়ন করে এবং মুসলিম ইবনে আকিল হুসাইন (রা.)-কে সতর্ক করে চিঠি লিখলেন, ‘হুসাইন! পরিবার-পরিজন নিয়ে ফেরত যাও। কুফাবাসীদের ধোঁকায় পোড়ো না। কেননা তারা তোমার সঙ্গে মিথ্যা বলেছে। আমার সঙ্গেও তারা সত্য বলেনি। আমার দেওয়া এই তথ্য মিথ্যা নয়।’

এই চিঠি পাঠানোর আগে মুসলিম ইবনে আকিল কুফাবাসীর অনুরোধে হুসাইন (রা.)-কে কুফায় আগমনের অনুরোধ করেন। সেই চিঠির ভিত্তিতে ৮ জিলহজ তিনি কুফার উদ্দেশে রওনা করেন। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনে ওমর, আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রা.)-সহ বেশির ভাগ সাহাবি হুসাইন (রা.)-কে কুফায় যেতে নিষেধ করেন। কুফাবাসীর হাতে আলী (রা.) নির্মমভাবে শহীদ হওয়ার ঘটনাও তিনি স্মরণ করিয়ে দেন। কিন্তু তিনি সব নিষেধ উপেক্ষা করে যাত্রা অব্যাহত রাখেন। পথিমধ্যে মুসলিমের চিঠি পেয়ে তিনি কুফার পথ পরিহার করে সিরিয়ার পথ ধরেন। উদ্দেশ্য ছিল ইয়াজিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করা। কিন্তু ইয়াজিদের সৈন্যরা তাঁর পথ রোধ করে। তারা তাঁকে কোথাও যেতে দিতে অস্বীকার করল। ফলে যুদ্ধ অনিবার্য হয়ে যায় এবং অসীম সাহসে যুদ্ধ করতে করতে তিনি ও তাঁর সঙ্গীরা শহীদ হন। শামির ইবনে জুলজাওশান নামক এক নরপশুর কূটচালে সন্ধির পথ রুদ্ধ হয়ে যায়। অসম এই যুদ্ধে আঘাতে আঘাতে হুসাইন (রা.) মাটিতে পড়ে যান এবং সম্মিলিত আঘাতে মহানবী (সা.)-এর প্রিয় দৌহিত্রকে শহীদ করা হয়।

অনুসন্ধানে দেখা গেছে, শাহাদাতের পর হুসাইন ইবনে আলী (রা.)-এর দেহ মোবারকে মোট ৩৩টি বর্শার এবং ৩৪টি তরবারির আঘাত ছাড়াও অসংখ্য তীরের জখমের চিহ্ন বিদ্যমান ছিল। এবং তাঁর পক্ষের প্রায় ৭১-৭৩ জন শাহাদাতবরণ করেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন