1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
মুখোমুখি পরস্পরকে দোষারোপ আরিফ-সাবরিনা
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ১০:১৪ আজ বৃহস্পতিবার, ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৬ই আগস্ট, ২০২০ ইং, ১৫ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম:
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিস্ফোরণ : নিহত বেড়ে ১৩৫ মহামারী করোনায় যে প্রক্রিয়ায় খোলা হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী সানাই ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাহাদুরপুরে ভিজি এফ’র চাউল পেলেন ১১৬৩টি পরিবার করোনায় আক্রান্ত নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতুল্লাহ বাহাদুরপুরে আহম্মদ আলী মেমরিয়াল প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঈদুল আযহা উপলক্ষে হাবাসপুরে ভিজি এফ’র চাউল পেলেন ১৯৩৪টি পরিবার কুষ্টিয়ায় র‍্যাব এর বিশেষ অভিযানে পিস্তল, ম্যাগজিন ও গুলিসহ জেড এম সম্রাট আটক কশবামাজাইলের নাদুরিয়াতে লাল রাজার দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকা কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন জায়গায় চলছে বালি উত্তোলন




মুখোমুখি পরস্পরকে দোষারোপ আরিফ-সাবরিনা

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে
মুখোমুখি পরস্পরকে দোষারোপ আরিফ-সাবরিনা

অনলা্ইন ডেস্ক: প্রায় এক মাস পর দেখা স্বামী-স্ত্রীর। কোথায় একটু কুশল বিনিময় করবেন। তা না করে একে অপরকে গালি দেওয়া শুরু করলেন। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে বসানো হলেও একপর্যায়ে তেড়েও গেলেন’। তাদের এমন আচরণে থমকে যান সেখানে উপস্থিত অনেকেই। ঘটনাটি ঘটেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে। করোনা জালিয়াতির ঘটনায় রিমান্ডে থাকা আরিফ-সাবরিনা দম্পত্তিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বুধবার রাতে প্রথম মুখোমুখি করার সময়ই ঘটনাটি ঘটে। এমন পরিস্থিতিতে ওই রাতে থেমে যায় জিজ্ঞাসাবাদ। শুরু হয় আগের তথ্যগুলো বিশ্লেষণ। পরে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী তাদের অন্তত ৬ দফায় মুখোমুখি করা হয়। সেখানে তারা পরস্পরকে দোষারোপ করে দায় এড়ানোর চেষ্টা করেন বলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে গতকাল সাবরিনার তিন দিনের রিমান্ড শেষ হওয়ায় আজ পুনরায় ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে। প্রথম দফায় তার কাছ যে তথ্য পাওয়া গেছে সেগুলো যাচাই-বাছাইও চলছে।

জানতে চাইলে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের উপ-পুলিশ কমিশনার (তেজগাঁও) গোলাম মোস্তফা রাসেল যায়যায়দিনকে বলেন, বুধবার

\হরাতে তাদের মুখোমুখি করা হয়। এ সময় তারা একে অপরের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। তারা নিজেদের দোষগুলো এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। সব বিষয় মাথায় রেখেই তদন্তকাজ এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে। আসা করা যাচ্ছে দ্রম্নত প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে। তাদের এমন কর্মকান্ডে পেছনে অন্য কোনো যোগসূত্র আছে কিনা তাও খতিয়ে দেখা হবে।

তিনি বলেন, তারা আলাদাভাবে জিজ্ঞাসাবাদে দোষ স্বীকার করেন। এরপর তাদের সামনে দালিলিক প্রমাণ হাজির করলে আবার অস্বীকার করেন। আবার কখনো কর্মচারীদের ওপরও দোষ চাপাচ্ছেন। আসলে তারা নিজেরাই মিলেমিশে এ কাজ করে বলে তদন্তে উঠে আসছে। আসা করা যাচ্ছে দ্রম্নতই তারা সব দোষ স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেবেন।

জানা গেছে, রিমান্ডের প্রথম দিন থেকেই করোনার নমুনা পরীক্ষায় জালিয়াতির সঙ্গে যুক্ত থাকার কথা অস্বীকার করে চলেছেন ড. সাবরিনা আরিফ চৌধুরী। এমনকি তিনি জেকেজি হেলথ কেয়ারের চেয়ারম্যানের পদেও কখনো ছিলেন না বলে দাবি করছেন। পরে কোম্পানি থেকে মাসে ৩০ হাজার টাকা বেতন নেওয়ার বিষয়ে দালিলিক প্রমাণ হাজির করা হলে তিনি এগুলো আরিফ চৌধুরীর নিজেরই বানানো বলে দাবি করেন। এরপর বুধবার সন্ধ্যার পর তাদের মুখোমুখি করা হয়। এ সময় আরিফ চৌধুরী চেয়ারম্যানের পদের বিপরীতে মাসে ৩০ হাজার টাকা সাবরিনাকে দেওয়ার কথা স্বীকার করে। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে সাবরিনা আরিফকে গালাগালি শুরু করেন। একপর্যায়ে তার দিকে তেড়েও যান। পরে সেখানে উপস্থিত নারী পুলিশ সদস্যরা তাকে নিবৃত করেন। আরিফ চৌধুরীকে উদ্দেশ করে সাবরিনা বলেন, ‘তার ক্যারিয়ার ধ্বংসের জন্য সে দায়ী। আরিফ চৌধুরীও এ সময় সাবরিনাকে বলেন, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করে তারা সুখেই ছিল। কিন্তু সাবরিনার পরামর্শে সে করোনার নমুনা সংগ্রহের কাজে যুক্ত হন। এমনকি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে অনুমতিও সে পাইয়ে দেয়। চিকিৎসক হওয়ার কারণে কিভাবে নকল রিপোর্ট তৈরি করা সম্ভব সে পথও সাবরিনা বাতলে দেন।

তদন্ত তদারক সূত্রে জানা গেছে, মামলা ডিবিতে হস্তান্তরের পর আগের তদন্ত কর্মকর্তা তার কাছে থাকা সব ধরনের দালিলিক প্রমাণ ডিবিতে পৌঁছে দেন। সেখানে জেকেজির চেয়ারম্যান হিসেবে সাবরিনা বিভিন্ন স্থানে যে পরিচয় দিয়েছেন তার অডিও ক্লিপও রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন কাগজে তার স্বাক্ষরের বিষয়টিও হাজির করা হয়। এরপর সাবরিনা দায় এড়ানোর চেষ্টা করলে তাদের মুখোমুখি করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

ডিবির দায়িত্বশীল কর্মকর্তারা জানান, মুখোমুখি করার আগে এসব দালিলিক প্রমাণ তাদের সামনে হাজির করা হয়। পাশাপাশি মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তরের কারো যোগসূত্র রয়েছে কিনা তা জানার চেষ্টা করা হয়। এসব প্রশ্নে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেন আরিফ। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ইভেন্ট ম্যানেজমেন্টের কাজও পাইয়ে দিতো সাবরিনা। সব কিছুতেই সাবরিনা ছিল সামনে। এখন নিজে বাঁচতে ডিভোর্স লেটার পাঠিয়েছে। এসব কথায় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে সাবরিনা। পরে তাদের আলাদা করে আবারও জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে তদন্ত তদারক কর্মকর্তারা। তাদের কাছ থেকে পাওয়া তথ্যগুলো মিলিয়ে নিতে গতকাল দিনভর অন্তত ৬ দফায় তাদের মুখোমুখি করা হয়।

তদন্ত তদারক এক কর্মকর্তা বলেন, বুধবার রাত থেকে তারা দুজনই কঠোর অবস্থানে থেকে একে অপরের ঘাড়ে দোষ চাপাচ্ছিলেন। কিন্তু বৃহস্পতিবার তারা কিছুটা নমনীয়। আসা করা যাচ্ছে আরিফ চৌধুরী ৪ দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে ১৬৪ ধারায় দোষ স্বীকার করে জবানবন্দি দেবেন। আজ শুক্রবার সাবরিনাকে দ্বিতীয় দফায় আরও ৭ দিনের রিমান্ড চেয়ে আদালতে পাঠানো হবে। তারা হাজার দায় এড়ানোর চেষ্টা করলেও তা সম্ভব হবে না। কারণ এ বিষয়ে যথেষ্ট দালিলিক প্রমাণ হাজির করা হচ্ছে। মূল কথা তাদের স্বীকারোক্তির থেকেও তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহে এখন ব্যস্ত সময় পার করছে গায়েন্দা পুলিশ। সেখানে অধিদপ্তরের কার সঙ্গে সাবরিনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক ছিল তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারও ব্যক্তিগত বিষয় এখানে প্রাধন্য পাচ্ছে না।

সূত্রতথ্য মতে, তারা বিভিন্ন স্থান থেকে নমুনা সংগ্রহ করে কোনো পরীক্ষা না করেই ১৫ হাজার ৪৬০ জনকে করোনা টেস্টের ভুয়া রিপোর্ট সরবরাহ করেছে। এছাড়া একটি ডেক্সটপেও আরও কিছু ভুয়া সার্টিফিকেটও পাওয়া গেছে। এ হিসাবে করোনার টেস্ট-বাণিজ্য করে জেকেজি হাতিয়ে নিয়েছে ৭ কোটি ৭০ লাখ টাকা। এসব টাকা তারা কোথায় রেখেছেন এবং কী কাজে ব্যবহার করেছে তা খুঁজে বের করা হচ্ছে। তাদের ব্যাংক হিসাব জব্দ করা হলেও এর বাইরে কোনো অ্যাকাউন্ট রয়েছে কিনা তা সন্ধান করা হচ্ছে। এজন্য বাংলাদেশ ব্যাংককেও চিঠি পাঠানোর বিষয় প্রক্রিয়াধীন।

 

উলেস্নখ্য, জেকেজির ভুয়া করোনা টেস্টের মামলায় সাবরিনাসহ আরও সাতজন আসামি রয়েছেন। অন্যরা হলেন- সাবরিনার স্বামী আরিফুল হক চৌধুরী, আরিফুলের ভগ্নিপতি সাঈদ, কর্মকর্তা-কর্মচারী হুমায়ুন কবির, তানজিনা পাটোয়ারী, মামুন ও বিপস্নব। গত রোববার সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পুলিশের তেজগাঁও ডিভিশনে আনা হলে পরে তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়। সোমবার ঢাকার একটি আদালত সাবরিনাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। এর আগে গত ২৩ জুন গ্রেপ্তার করা হয় আরিফ চৌধুরীকে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

One response to “মুখোমুখি পরস্পরকে দোষারোপ আরিফ-সাবরিনা”

  1. […] কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে ব্রিফিং মুখোমুখি পরস্পরকে দোষারোপ আরিফ-সাবরি… করোনা টেস্টের উল্টোযাত্রা টেস্ট কম, […]

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন