1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
করোনা টেস্টের উল্টোযাত্রা টেস্ট কম, শনাক্তের হার বেশি
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ৮:০৭ আজ শুক্রবার, ৩০শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ১৪ই আগস্ট, ২০২০ ইং, ২৩শে জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী




করোনা টেস্টের উল্টোযাত্রা টেস্ট কম, শনাক্তের হার বেশি

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : শুক্রবার, ১৭ জুলাই, ২০২০
  • ৩৪ বার দেখা হয়েছে
করোনা টেস্টের উল্টোযাত্রা টেস্ট কম, শনাক্তের হার বেশি

অনলাইন ডেস্ক: করোনা মোকাবিলায় শুরু থেকে এ দাওয়াই দিয়ে আসছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কিন্তু কেন যেন বাংলাদেশ হেঁটেছে উল্টো পথে। শুরুতে করোনা টেস্টে ছিল একেবারেই অনীহা। একটি মাত্র সংস্থার হাতে আটকে ছিল সব। পরে পরিস্থিতি ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে করোনা টেস্টের হার ফের নিম্নমুখী। ওদিকে শনাক্তের হার বেড়েছে।

যদিও গতকাল শনাক্তের হার কিছুটা কম ছিল। গত কয়েক দিনের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, একটি নির্দিষ্ট বৃত্তে বন্দি করোনা টেস্টের সংখ্যা। বাড়ানোর কোনো প্রচেষ্টাও নেই। অথচ বিশেষজ্ঞরা দিনে অন্তত ২০,০০০ টেস্টের পরামর্শ দিয়েছিলেন। টেস্ট বাড়ানোর কথাও বলা হয়েছিল কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে। কিন্তু এখন উল্টো তা আরো কমে গেছে। বুধবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, ২৪ ঘণ্টায় ১৪ হাজার ২টি নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে ৩ হাজার ৫৩৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। শনাক্তের হার ২৫ দশমিক ২৩ শতাংশ। মঙ্গলবার অধিদপ্তরের অনলাইন বুলেটিনে জানানো হয়, ১৩ হাজার ৪৫৩ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এরমধ্যে করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন ৩ হাজার ১৬৩ জন। সোমবার দেয়া হিসাব অনুযায়ী এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ১২ হাজার ৪২৩টি নমুনা পরীক্ষা করা


হয়। করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছেন তিন হাজার ৯৯ জন। করোনা শনাক্তের হার ২৪ দশমিক ৯৫ শতাংশ। সর্বশেষ গতকাল জানানো হয়েছে, এর আগের ২৪ ঘণ্টায় করোনা টেস্ট হয়েছে ১২ হাজার ৮৮৯টি। রোগী শনাক্ত হয়েছে ২ হাজার ৭৩৩ জন। রোগী শনাক্তের হার ২১ শতাংশের কিছু বেশি। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় করোনায় মারা গেছেন ৩৯ জন। এ নিয়ে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়ালো দুই হাজার ৪৯৬ জনে। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেন্টার ফর জেনোসাইড স্টাডিজের প্রকল্প বাংলাদেশ পিস অবজারভেটরির তথ্য অনুযায়ী এ পর্যন্ত করোনার উপসর্গ নিয়ে ১ হাজার ৭৭৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। বিপিওএর তথ্য অনুযায়ী, টানা পাঁচ সপ্তাহ বাড়ার পর গত দুই সপ্তাহে করোনার উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু কমেছে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশে একদিনে সর্বোচ্চ ৪ হাজার ১৯ জনের করোনা শনাক্তের তথ্য জানানো হয়েছিল ২রা জুলাই। ওই দিন শনাক্তের হার ছিল ২২ শতাংশের কাছাকাছি। সর্বোচ্চ শনাক্তের দিন পরীক্ষা হয়েছিল ১৮ হাজার ৩৬২টি নমুনা। এর আগে ২৬শে জুন ১৮ হাজার ৪৯৮টি নমুনা পরীক্ষার তথ্য জানানো হয়েছিল। দেশে ৮ই মার্চ প্রথম করোনা শনাক্ত হয়। ৭ জনের নমুনা পরীক্ষা করে ৩ জনের করোনা শনাক্ত হয়। ওইদিন করোনা শনাক্তের হার ছিল ৪৩ শতাংশ। এরপর নমুনা পরীক্ষা বাড়তে থাকে। মে মাসের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত শনাক্তের হার ছিল ১৫ শতাংশ। আর এখন এটি ২৫ শতাংশে গিয়ে পৌঁছেছে। অথচ আনন্দবাজার পত্রিকার রিপোর্ট বলছে, ভারতে সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ৯ শতাংশ।

দেশে করোনার পরীক্ষা ধারাবাহিকভাবে কমে যাওয়ার কারণ কি? জানতে চাইলে জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির সদস্য, বিশিষ্ট ভাইরোলজিস্ট এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) সাবেক ভিসি অধ্যাপক ডা. নজরুল ইসলাম মানবজমিনকে বলেন, ফি নেয়ার কারণে মানুষ আগ্রহ হারিয়েছেন। টাকা নেয়ার কারণে কমছে পরীক্ষা। এর ফলে সংক্রমণ ব্যাপক আকারে ছড়িয়ে পড়েছে। পরামর্শক কমিটির সুপারিশেও গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে না বলেও মন্তব্য করেন এ বিশেষজ্ঞ। জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ এবং রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর)-এর উপদেষ্টা ডা. মুশতাক হোসেন এ বিষয়ে বলেন, পরীক্ষার ফি নেয়ার পক্ষে ছিলাম না। প্রান্তিক মানুষ বাদ পড়ছে। সুবিচার হয়নি। প্রভাবশালীরা তদবির করে বিনা পয়সায় ঠিকই পরীক্ষা করাচ্ছেন। ফি নেয়ার কারণে দেশে সংক্রমণের হার বাড়ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

 

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ব্যাখ্যা: করোনা ভাইরাসের পরীক্ষার সংখ্যা কেন কমে যাচ্ছে তার একটি ব্যাখ্যা দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সম্প্রতি অধিদপ্তরের নিয়মিত অনলাইন ব্রিফিংয়ে অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক ডা. নাসিমা সুলতানা এ ব্যাখ্যা দেন। তিনি বলেন, ‘আমরা তথ্য বিশ্লেষণে দেখছি, আমাদের নমুনা সংগ্রহ এবং পরীক্ষার সংখ্যা পূর্বের তুলনায় কমেছে। এর কারণ হিসেবে অনেকগুলো ব্যাখ্যা দেয়া যায়। নাসিমা সুলতানা বলেন, ‘সুস্থতার সংজ্ঞা অনুযায়ী, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নিয়ম অনুযায়ী, যারা সুস্থ হয়ে গেছেন, তাদের দ্বিতীয়বার আর পরীক্ষা করানোর দরকার হচ্ছে না। এ জন্য পরীক্ষার সংখ্যা কিছুটা কমেছে। এ ছাড়া পরীক্ষা করানোর জন্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক একটি ফি ধার্য করা হয়েছে। সে কারণে কিছুটা কমতে পারে। তাছাড়া মানুষের মধ্যে আতঙ্ক অনেকটাই কমে গেছে। মানুষ পরীক্ষা করানোর ব্যাপারে আগ্রহ কম দেখাচ্ছে।’

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন