1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
১ যুগ পর পর আবারও পাংশার আকাশে উড়ছে রং,বে রংঙ্গের ঘুড়ি
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ৩:২৪ আজ মঙ্গলবার, ৭ই বৈশাখ, ১৪২৮ বঙ্গাব্দ, ২০শে এপ্রিল, ২০২১ খ্রিস্টাব্দ, ৭ই রমজান, ১৪৪২ হিজরি




১ যুগ পর পর আবারও পাংশার আকাশে উড়ছে রং,বে রংঙ্গের ঘুড়ি

আব্দুর রশিদ
  • সংবাদ সময় : রবিবার, ১৭ মে, ২০২০
  • ৩০৬ বার দেখা হয়েছে
১ যুগ পর পর আবারও পাংশার আকাশে উড়ছে রং,বে রংঙ্গের ঘুড়ি

পাংশা প্রতিনিধিঃ ১ যুগ পর আবারও রাজবাড়ীর জেলার পাংশা উপজেলার আকাশে উড়ছে রং, বে রংঙ্গের ঘুড়ি। আর এ সব ঘুড়ি উড়াচেছ স্কুল, কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা, কিশোরেরা ও ঘুড়ি প্রেমিকেরা। গত ২০০৮ সালের দিকে বা তার আগ হতে রাজবাড়ীর পাংশা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এবং শহর এলাকার স্কুল ,কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা, কিশোরেরা এবং ঘুড়ি প্রেমিকেরা রং,বেরংঙ্গের ছোট বড় যেমন শিং বা কৌড়ো, চিলে , ডাউষ, ডোল , ফেছো, সাপ ঘুড়িসহ নাম না জানা অনেক ঘুড়ি বানিয়ে সকাল বিকালে আকাশে উড়াতো, এর মধ্যে কিছু কিছু ঘুড়ি আবার রাত পর্যন্ত ও আকাশে উড়তে দেখা যেত।

এসব ঘুড়ির মধ্যে কৌড়ো, ডাউষ এবং ফেছো ঘুড়ির মাথায় বেত বা বেতের ধনুক লাগানো থাকতো যা বাতাসে সুন্দর ভাবে বাঁজনার সৃুষ্টি করতো, কৌড়ো ঘুড়ির উপরে ২টা এবং পিছনে ২টা মোট ৪টা কালে তেনা বা কাপড় লাগানো থাকতো যা বাতাসে পতাকার মত পতপত করে উড়তো, চিলে ঘুড়ির পিছনের অংশে কাগজ বা কলার ফাতরার লেজ দেওয়া হত যা বাতাসে সাপের নাচের মত নাচ শুরু করতো।

তবে ঘুড়ি বানানোর কাঁচা মাল হিসাবে ব্যবহার করা হতো বহলা গাছের বহলা আটা, বাঁশ, বেত, সুতা এবং কাগজ। এসবের সংমিশ্ররনে যে কোন ব্যক্তি তার পছেন্দের যে কোন একটি ঘুড়ি তৈরী করে আকাশে উড়িয়ে আনন্দ উপভোগ করতো। আবার অনেক সময় ঘুড়ি সুতা ছিরে গিলে তা ধারার জন্য অনেকেই ঘুড়ির পিছনে দৌড়া শুরু করতো। পাংশা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এবং শহর এলাকার আকাশে স্কুল -কলেজ পড়ুয়া শিক্ষার্থীরা, কিশোরেরা এবং ঘুড়ি প্রেমিকেরা রং,বে রংয়ের ছোট বড় যেমন শিং বা কৌড়ো, চিলে , ডাউষ, ডোল , ফেছো, সাপ ঘুড়িসহ নাম না জানা অনেক ঘুড়ি উড়াতে দেখা গেছে। কোনটা উপরে উঠছে, কোনটা নীচে নামছে, কোনটা পাকা খাচ্ছে আবার কোনটা স্থীর হায়ে দাঁড়িয়ে আছে।

সারা আকাশে শুধু ঘুড়ি আর ঘুড়ি , যা দেখতেও সুন্দর লাগতো। আকাশে উড়ান্ত ঘুড়ি দেখার জন্য দর্শকেরা অপলোক দৃষ্টি দিয়ে আকাশ পানে তাকিয়ে থাকতো। তবে ঐ সময় কোন ঘুড়িতে লাইটিংয়ের ব্যবস্থা ছিল না। এর পরবর্তীতে ক্রিকেটে খেলার দাপটের কারনে স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা, কিশোরেরা এবং ঘুড়ি প্রেমিকেরা আকাশে ঘুড়ি উড়াতে থেকে পিছিয়ে আসায় আগের মত আর পাংশার আকাশে ঘুড়ি উড়তে দেখা যায় নী। তবে বাংলাদেশে মহামারী কারনা ভাইরাসের কারনে শিক্ষা প্রতিষ্টান দীর্ঘদিন ছুটি থাকায় ও ক্রিকেট খেলাসহ সকল প্রকার খেলা ধূলা বন্ধ থাকায় স্কুল কলেজের শিক্ষার্থীরা, কিশোরেরা এবং ঘুড়ি প্রেমিকেরা ঠিক ১ যুগ পর আবারও পাংশার আকাশের ঘুড়ি উড়াতে শুরু করছে।

বিকাল হতে না হতেই পাংশা উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম এবং শহর এলাকার আকাশে রং,বে রংয়ের ছোট বড় যেমন শিং বা কৌড়ো, চিলে, ডাউষ, ডোল , ফেছো, সাপ ঘুড়িসহ নাম না জানা অনেক ঘুড়ি । আকাশে উড়ন্ত ঘুড়ি দেখতে খুব সুন্দর কার না লাগে। তবে সন্ধার পর পরই এসব ঘুড়িতে লাল, নীল, সবুজও হলুদ আলোর জ্বলকালী দেখা যায়।

রাত যত গভীর হয় ততই আলোর জ্বলকালী বেশী দেখা যায়। মনে হয় সারা আকাশে তারার মিল মেলার সৃষ্টি হয়েছে। তবে পাংশা শহরসহ বিভিন্ন গ্রাম এলাকায় কয়েক হাজার ঘুড়ি তৈরী ক্রয় / বিক্রয় হয়েছে বলে জানা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন