1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
লকডাউনের দূষণবিহীন আকাশে অচেনা তারার মেলা - বাংলার দর্পন
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় রাত ৯:৪৬ আজ বৃহস্পতিবার, ২২শে শ্রাবণ, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ৬ই আগস্ট, ২০২০ ইং, ১৫ই জিলহজ্জ, ১৪৪১ হিজরী

সংবাদ শিরোনাম:
লেবাননের রাজধানী বৈরুতে বিস্ফোরণ : নিহত বেড়ে ১৩৫ মহামারী করোনায় যে প্রক্রিয়ায় খোলা হবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান করোনায় আক্রান্ত হলেন অভিনেত্রী সানাই ঈদুল আযহা উপলক্ষে বাহাদুরপুরে ভিজি এফ’র চাউল পেলেন ১১৬৩টি পরিবার করোনায় আক্রান্ত নৃত্যশিল্পী জিনাত বরকতুল্লাহ বাহাদুরপুরে আহম্মদ আলী মেমরিয়াল প্রতিবন্ধী স্কুলের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ঈদ সামগ্রী বিতরণ ঈদুল আযহা উপলক্ষে হাবাসপুরে ভিজি এফ’র চাউল পেলেন ১৯৩৪টি পরিবার কুষ্টিয়ায় র‍্যাব এর বিশেষ অভিযানে পিস্তল, ম্যাগজিন ও গুলিসহ জেড এম সম্রাট আটক কশবামাজাইলের নাদুরিয়াতে লাল রাজার দাম ১ লাখ ২০ হাজার টাকা কুষ্টিয়া জেলার বিভিন্ন জায়গায় চলছে বালি উত্তোলন




লকডাউনের দূষণবিহীন আকাশে অচেনা তারার মেলা

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : মঙ্গলবার, ৭ এপ্রিল, ২০২০
  • ১০১ বার দেখা হয়েছে

তথ্য ও প্রযুক্তি ডেস্ক : বিশ্বজুড়ে মহামারি আকার ধারন করেছে করোনাভাইরাস। সাম্প্রতি ভারতজুড়ে চলছে লকডাউন। অথচ লকডাউন ঝলমলে রাতের তারা ভরা আকাশের স্মৃতি ফিরিয়ে এনেছে। দূষণহীন পৃথিবী থেকে এখন স্পষ্ট দেখা যায় শুকতারা, অর্থাৎ ভিনাস গ্রহ।

করোনা প্রতিরোধে ঘরবন্দি রয়েছেন মানুষ। এমনই থমকে যাওয়া পরিবেশে টেলিস্কোপে চোখ রেখে অবাক একদল বাঙালি বিজ্ঞানী। ঝাঁকে ঝাঁকে তারার খোঁজ পেয়েছেন তারা। একে বহু দূরে সেই তারাদের বাস, তার ওপর মাত্রাতিরিক্ত দূষণের বেড়াজাল, ফলে কখনওই তারাগুলির খোঁজ জানতে পারেননি বিজ্ঞানীরা।

দূষণের চাদরে ঢাকা পড়েছিল পৃথিবী। করোনার আবহ সেই চাদরকে অনেকাংশে সরিয়ে দিয়েছে বলে জানাচ্ছেন পরিবেশবিদরা। যার ফলে মাত্র ২৪ ইঞ্চি লেন্সের টেলিস্কোপেই ধরা দিয়েছে সেই তারাদের দল। কলকাতার ‘ইন্ডিয়ান সেন্টার ফর স্পেস ফিজিক্স (আইসিএসপি)’-এর বাঙালি গবেষকরা এখন অচেনা তারাদের ঠিকুজিকোষ্ঠী বের করতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছেন।

আইসিএসপি-র অধিকর্তা তথা বিশিষ্ট জ্যোতির্বিজ্ঞানী সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘কলকারখানা ও যানবাহন থেকে ছড়িয়ে পড়া ধূলিকণা যে শুধুমাত্র মানুষের শ্বাসপ্রশ্বাসে অসুবিধা ঘটায় এমনটা নয়, বায়ুমণ্ডলের ১২ কিলোমিটারজুড়ে বাতাসের সঙ্গে মিশে রাজত্ব করে তারা। আকাশ থেকে আগত ফোটন কণা বা আলোর কণা টেলিস্কোপ বা আপনার চোখ পর্যন্ত আসার আগেই ওই ধূলিকণাদের দেখতে পায় সে। সেই আলো ওই ধূলিকণায় লেগে ঠিক অন্যদিকে চলে যায়। আপনার কাছে আর পৌঁছতে পারে না। যার ফলে অনেক তারা দেখা যেত না। আবার বিচ্ছুরণের ফলে অনেক তারার উজ্জ্বলতা কম মনে হত। কাজেই এখন দূষণের মাত্রা কমে যাওয়ায় অনেক তারার খোঁজ পাওয়া গেছে।’

সন্দীপ চক্রবর্তী বলেন, ‘টেলিস্কোপেরও নিজস্ব একটা পরিমাপ থাকে। একটা নির্দিষ্ট মানের ফোটনকণা টেলিস্কোপে এসে পৌঁছলে সেই তারা দেখা যায়। কিন্তু তার চেয়ে কম হয়ে গেলে সেই তারার হদিশ পাওয়া যাবে না।’

এতদিন দূষণের কারণে তারার আলোক কণা টেলিস্কোপে ধরা দিচ্ছিল না। ফলে, তাদের অস্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা ছিল না ওই বাঙালি গবেষকের। তিনি জানিয়েছেন, তার তিন ছাত্র, অসীম সরকার, শ্যাম সরকার ও পবিত্র শীল টেলিস্কোপ দিয়ে দেখেছেন, এতদিন যদি ১০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে অবস্থিত কোনও তারার সন্ধান পাওয়া যেত, করোনা পরিস্থিতিতে লকডাউনের আকাশে এখন ২০০ কোটি আলোকবর্ষ দূরে থাকা তারার খোঁজ মিলছে। অর্থাৎ দ্বিগুণ দূরের তারারাও এখন দৃশ্যমান।

আকাশ আগের চেয়ে দশ শতাংশ আরও বেশি অন্ধকার হয়েছে। একইসঙ্গে ৪০ শতাংশ উজ্জ্বল হয়েছে সব তারা। যার ফলে নতুন অতিথিদের কিছু ক্ষেত্রে খালি চোখেও দেখা যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন আইসিএসপি-র বাঙালি বিজ্ঞানীর দল।
তথ্যসূত্র: ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন