1. ashik@banglardorpon.com.bd : Ashikur Rahman : Ashikur Rahman
  2. admin@banglardorpon.com.bd : belal :
  3. firoz@banglarsangbad.com.bd : Firoz Kobir : Firoz Kobir
  4. rubin@wfh.thewolf.club : lavonneportillo :
  5. lima@banglardorpon.com.bd : Khadizatul kobra Lima : Khadizatul kobra Lima
  6. mijan@banglardorpon.com.bd : Mijanur Rahman : Mijanur Rahman
  7. lon@wfh.thewolf.club : roboshaughnessy :
  8. rona@wfh.thewolf.club : waldo43b400667 :
করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন: ইসলামের নির্দেশনা
বাংলার দর্পন পরিবারে আপনাকে স্বাগতম...!!!

এখন সময় দুপুর ২:৩৫ আজ বৃহস্পতিবার, ৬ই কার্তিক, ১৪২৭ বঙ্গাব্দ, ২২শে অক্টোবর, ২০২০ খ্রিস্টাব্দ, ৪ঠা রবিউল আউয়াল, ১৪৪২ হিজরি




করোনা আক্রান্ত ব্যক্তির জানাজা ও দাফন: ইসলামের নির্দেশনা

রিপোর্টার
  • সংবাদ সময় : সোমবার, ৩০ মার্চ, ২০২০
  • ১৩৯ বার দেখা হয়েছে

করোনা ভাইরাস আজ পৃথিবীব্যাপী এক আতঙ্কের নাম। বিশ্বের অর্থনীতি, রাজনীতি, যোগাযোগ ব্যবস্থাসহ সবকিছু থমকে দাড়িয়েছে। এই প্রথম তামাম দুনিয়ার মানুষ হোম কোয়ারান্টাইনে থেকে নিজেদের আত্মরক্ষার চেষ্টা করে যাচ্ছে। কি এক ভয়াবহ আতঙ্কিত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বিশ্ব জাহানের তামাম বনি আদম। একবিংশ শতাব্দীর মানুষের ভোগবাদী আর বস্তুবাদী চেতনায় অর্থনৈতিক সুবিধালাভের মানসিকতায় আত্মকেন্দ্রীক কর্মপ্রবাহ তাকে জঘন্য স্বার্থপরতার আকরে বন্ধি করে তোলে। রাজা থেকে প্রজা- যে যেখানে ক্ষমতাবান সে সেখানে নিয়মকে অনিয়মে, শৃঙ্খলাকে বিশৃঙ্খলায় রুপদান করে থাকে। মানবতা, মানবিকতা, মানবাধিকার ও গণতন্ত্রের সংজ্ঞার পরিবর্তন দেখে হতাশ হয় ভোক্তভোগী আমজনতা।

সবকিছু নিজের সুবিধা ও স্বার্থকে কেন্দ্র করে ঘটে থাকে। কিন্তু সব শক্তিমান লোকের উপরও মহা পরাক্রমশালী এক সত্তা রয়েছেন যার নিরঙ্কুশ ক্ষমতায় পরিচালিত হয় এই বিশ্বজাহান। আজকের করোনা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব মানুষের সীমাদ্ধতার প্রকাশ ও স্রষ্টার একচ্ছত্র ক্ষমতার বহিঃপ্রকাশ মাত্র। একজন মুসলিম হিসেবে আমাদের এই মর্মে বিশ্বাস স্থাপন করতে হবে যে, আল্লাহ তায়ালার ফয়সালার বাহিরে কিছু হবে না। জন্ম- মৃত্যু সব কিছু নির্ধারিত রয়েছে তাঁর দফতরে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন- ‘প্রত্যেক জাতির জন্য নির্দিষ্ট সময় আছে, অতঃপর যখন তাদের সময় অসবে তখন মুহুর্তকাল দেরি করতে পারবে না এবং এগিয়ে আনতেও পারবে না।’ [৭:৩৪] যার যখন মৃত্যু আসবে, তখন তাকে জগত ছাড়তে হবে এই মানসিকতায় চলমান পরিস্থিতিতে মৃত্যুকে শহীদি মৃত্যু হিসেবে কামনা করতে হবে। রাসূল সা. এর হাদীসে এসেছে, ঈমানদার মৃত্যুবরণ করলে তিনি শহিদী মর্যাদা পাবেন। এমনকি শহীদ হিসেবে স্বীকৃতি লাভের হাদীসে বর্ণিত সাতটি মানদন্ডের দ্বিতীয়টি হলো- যারা মহামারিতে ঈমানের সাথে মৃত্যুবরণ করে, তারাও শহীদ। রাসূল সা. কে প্লেগ রোগ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন যে- ‘এটি আযাব; মহান আল্লাহ যার প্রতি ইচ্ছা করেন এটা প্রেরণ করেন। অতঃপর আল্লাহ তায়ালা একে মুমিনের জন্য রহমত বানিয়ে দিলেন। ফলে (এখন) যে ব্যক্তি প্লেগ রোগে আক্রান্ত হবে এবং সে নিজে দেশে ধৈর্য সহকারে অবস্থান করবে, সে জানবে যে, তাকে তাই পৌঁছবে যা আল্লাহ তায়ালা তার জন্য লেখে দিয়েছেন। তাহলে সেই ব্যক্তির জন্য শহীদের মত পুরুষ্কার রয়েছে।’ [বুখারী- ৩৪৭৪] এই হাদীসে মহামারিতে মৃত্যু শাহাদাত হিসেবে গণ্য হওয়ার জন্য যে তিনটি শর্ত রয়েছে তা হলো- ঈমানদার ধৈর্য সহকারে মহামারি আক্রান্ত এলাকায় থাকবে। সে আল্লাহর নেয়ামতের আশায় অবস্থান করবে। সে যখন বিশ্বাস করবে আল্লাহর পক্ষ থেকে যাবতীয় তাকদীর নির্ধারিত হয়।

মানুষের জীবনে সবচেয়ে অনবদ্য ও অনিবার্য ঘটনা হলো মৃত্যু। কোন পরিস্থিতিতে, কোন জায়গায়, কখন ও কিভাবে মৃত্যু হবে তা পরিপূর্ণভাবে অনিশ্চিত। আলকুরআনের বাণী হলো- ‘প্রত্যেক ব্যক্তির মৃত্যু স্বাদ গ্রহণ করতে হবে।’ [২৯:৫৭;৩:১৮৫;২১:৩৫] মৃত ব্যক্তির জানাযার নামাজ ও দাফনে ‘ফরজে কেফায়া’ হিসেবে সাধারণ মুসলিমগণ সাধ্যমতো স্বতস্ফুর্তভাবে অংশ গ্রহণ করে থাকে।

সম্প্রতি করোনা ভাইরাসে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন নিয়ে আমাদের দেশে বিতর্ক তৈরী হয়েছে। এ জাতীয় মৃত দেহ ভাইরাসের খনি। রোগটিও ছোঁয়াচে হওয়ায় নিজের পরিবারের সদস্যগণও সালাতে জানাজা ও লাশ দাফনে অংশ গ্রহণ থেকে বিরত থাকে। ইতোমধ্যে কেউ কেউ লাশটি পুড়িয়ে ফেলার দাবী তুলেছেন। এটা অযৌক্তিক ও অন্যায় না কেবল বরং লাশের সাথে বেয়াদবী; যা ধৃষ্টতা প্রদর্শনের শামিল। হাদীস থেকে জানা যায় মৃত লাশের তা’যিম বা সম্মান করা জীবিত ব্যক্তিদের দায়িত্ব। সেখানে কোনো মুসলিম ব্যক্তির লাশ পোড়ানোর তো প্রশ্নই আসে না।

যে বা যারা এ বাগাড়াম্বর ও হঠকারী দাবী বাব ক্তব্য রাখেন তাদের সাথে অন্তত: ইসলামী চিন্তা-চেতনা নাই বলা যায়। করোনা বা কোনো দুরারোগ্য ব্যাধির কারণে মৃত ব্যক্তির লাশের ব্যাপারে চিকিৎসা বিজ্ঞানের যেমন একটি দৃষ্টিভঙ্গী রয়েছে; তেমনিভাবে ইসলামে আইন তথা ইলমে ফিকহেরও একটি পৃথক দৃষ্টিভঙ্গী রয়েছে। দুটির মাঝে সমন্বয় সাধন করে আক্রান্ত ব্যক্তির জানাজা এবং পরবর্তী দাফন কাজ সম্পন্নই শুধু নয়; বরং জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই ধর্মের সাথে বিজ্ঞানের সমন্বয় সাধন করতে হয়। এ জন্যই ইসলামে গবেষণা বা ইজতিহাদকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। সুতরাং যদি মৃত দেহটি সমস্যাযুক্ত হয় এবং গোসল দেওয়া ঝুঁকিপূর্ণ হয় তাহলে ইলমে ফিকহ, চিৎিসা বিজ্ঞান ও সংশ্লিষ্ট রাষ্ট্রের আইনকে বিবেচনায় নিয়ে এর সমাধান করতে হবে।

যেহেতু করোনা একটি সংক্রামক ব্যাধি, তাই সবধরনের ব্যবস্থা করেই আল্লাহ তায়ালার উপর ভরসা করতে হবে। সংক্রামক রোগের ধারণাকে অস্বীকার করে মালয়েশিয়া ও ফিলিস্তিনসহ কিছু ধর্মীয় সমাবেশ হওয়ার প্রেক্ষিতে এ রোগ ব্যাপকভাবে ছড়িয়েছে। আবেগী কিছু মানুষ অবিদ্যার কারণে চিকিৎসা বিজ্ঞানকে অগ্রাহ্য করে কথা বলে। সাধারণ মানুষের কাছে ইসলামকে পশ্চাৎপদ ও অনগ্রসর হিসেবে উপস্থাপন করে থাকে। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের বিকাশের যে গতিময়তা সে হিসেবে সমকালিন ইলমে ফিকহ-র গবেষণা ও বিকাশও দরকার। আমাদের দেশে উচ্চ লেভেলে বিভিন্ন কারনে তেমন উল্লেখযোগ্য গবেষণা না হলেও বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মুসলিম আইন বিশারদগণ এ গবেষণা চালাচ্ছেন। প্রকৃতপক্ষে এ দুইটি বিষয়ের সমন্বয়ের মাধ্যমেই একজন মুমিন-মুসলিম তার ব্যবহারিক জীবনকে সঠিকভাবে চালাতে পারে।

আমরা জানি আদম আ. থেকে এ পর্যন্ত যত নবী রাসূল এবং তাদের উত্তরসূরী মারা গেছেন সকলকে মাটিতে কবর দেওয়া হয়েছে। এটাই ইসলামের হাজার বছরের অনবদ্য ও শাশ্বত নিয়ম। মানুষ মারা গেলে এ গোসল দেওয়া ওয়াজিব। কারণ রাসূল সা. সবসময় মৃতদেহকে গোসল করানোর জন্য আদেশ করেছেন। পানি নিয়ে, তাতে বিশেষ কিছু গাছের পাতা দিয়ে গোসল করাতে হয়। সুগন্ধিও ব্যবহার করা যায়।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা যদি কোনো মৃত দেহকে করোনা আক্রান্ত হিসেবে ঘোষণা দেয় বা করোনায় আক্রান্ত হয়ে যদি কেউ মারা যায়, তাহলে সে মৃত দেহ মুসলিম হিসেবে পরিপূর্ণ ইসলামী পদ্ধতিতে গোসল ও দাফন সম্পন্ন করতে হবে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেন্টার ফর ডিজিজ কন্ট্রোল’র (সিডিসি) কর্মকর্তাদের মতে, ‘যদি পর্যাপ্ত নিরাপত্তা, প্রটোকল এবং পিপিই পরিধান করে গোসল করানো যায়, তাহলে মৃত দেহ থেকে ভাইরাস সংক্রমনের আশঙ্কা আর থাকেনা বললেই চলে। কারণ, ভাইরাসটি আক্রান্ত রোগীর থুথু, কফ থেকে সংক্রমিত হয়। যেহেতু মৃত দেহ থেকে এ জাতীয় ড্রপলেট বের হওয়ার আর কোনো সুযোগ নেই, তাই সংক্রমনের সুযোগও কমে যায়, ঝুঁকিও থাকে না। তবে সঠিক প্রোটেকল বা পিপিই না পরে গোসল করানো হয়, তাহলে সামান্য হলেও সংক্রমনের ঝুঁকি থাকে।’ এ জন্য পিপিই পরা এবং কীভাবে পরতে ও খুলতে হয়, তা যেমন জানতে হবে; পাশাপাশি মৃতকে গোসল দেওয়ার ইসলামী নিয়মও জানতে হবে। আর যদি মৃত দেহকে স্পর্শ করা না যায়, বিশেষ করে রোগীর অবস্থা ভিন্ন হলে অথবা যিনি গোসল করাবেন, তার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার মতো কোনো ব্যবস্থা বা প্রটোকল জোগাড় করা না যায়, তখন মৃত দেহকে গোসল না করিয়ে বরং উপর থেকে পানি ঢালতে হবে। কিন্তু তাকে স্পর্শ করা যাবে না। যদি চিকিৎসকরা পনি ব্যবহার করা নিষেধ করেন, অথবা গোসল করানোর মতো পানি না পাওয়া যায় কিংবা এমন কোনো পরিস্থিতি হয় যে, মৃত দেহতে পানি লাগালে রোগের সংক্রমণ ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে যাবে, তাহলে মৃত দেহতে তায়াম্মুম করাতে হবে। সে ক্ষেত্রে হাতে গ্লাভস পরিধান করে নেবে। তারপর কোনো একটি শুকনো জায়গায় হাতদুটো ঘসে মৃতদেহের মুখ ও হাতে মাসেহ করতে হবে। পরবর্তীতো গ্লাভস দুটো খুলে নিরাপদ জায়গায় ফেলে দেবে। এ মতটি শাফেয়ী মাযহাবের প্রখ্যাত ইমাম রামলি রহ. এর।

আর যদি ডাক্তার মৃতদেহের কাছেই যেতে নিষেধ করেন, তায়াম্মুম করানো ও সম্ভব না হয়, লকডাউনের কারণে বা অন্য কোনো কারণে নিরাপত্তামূলক কোনো সামগ্রীও না পাওয়া যায়, তখন গোসল বা তায়াম্মুম ছাড়াই মৃত দেহ দাফন করতে হবে। এটাই আইন , এটাই বাস্তবতা। আমাদের সেখানে বিকল্প কিছু করার সুযোগ বা ক্ষমতা নেই। আর আল্লাহ তায়ালা নিশ্চয়ই আমাদের সে জন্য মাফ করে দেবেন। কারণ শরীয়াতের মূলনীতি হলো- পরিস্থিতি যত কঠিন হয়, শরীয়াতের বিধানও ততটাই সহজ হয়ে যায়।

এ মহামারি চলাকালিন সময়ে সালাতুল জানাজায় বেশী লোকের সমাগম না করে অল্প কিছু লোক জানাজা পড়ে নেবে। একজন দুই জনে এমনকি যিনি গোসল দিবেন তিনি একা একাই জানাজার নামাজ পড়ে নিতে পারবেন। এমনকি কোনো কারন ছাড়াই, মহামারির প্রকোপ ছাড়াই কবরস্থানে জানাজা পড়ার দৃষ্টান্তও ইসলামের ইতিহাসে রয়েছে। হযরত আয়েশা রা. এবং উমে¥ সালমা রা. এর জানাজা জান্নাতুল বাকীতে হয়েছে। পরবর্তীতে ইবনে উমরের রা. ছাত্র প্রখ্যাত তাবেয়ী নাফি র. বিষয়টা বর্ণনা করেন। তার বর্ণনায় জানা যায় যে, জান্নাতুল বাকীতে হযরত আবু হুরায়রা রা. আয়েশা রা. জানাজায় ইমামতি করেন। আর ইবনে উমার রা. সেখানে উপস্থিত থাকলেও কোনো আপত্তি করেন নি। তাই গোরস্থানেই জানাজা পড়ে নিতে হবে।

বাসায় বসে গায়বানা জানাযাও পড়া যাবে। শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবের মতে, কোনো কারণ ছাড়াই গায়েবানা জানাজা পড়া সম্ভব। মুসলিম বিশ্বের স্কলারগণ এই বিষয়ে একমত। সহীহ বুখারীর হাদীস থেকে জানা যায়, আবিসিনিয়ার রাজা নাজ্জ্বাশী ইন্তেকাল করার পর জিব্রাইলের আ. এর মাধ্যমে রাসূল সা. সেই খবর পেয়ে যান। নাজ্জ্বাশীর মৃত দেহ তখন ছিলো আবিসিনিয়ায় আর নবিজী সা. অবস্থান করছিলেন মদীনায়। তিনি তখনি সাহাবীদেরকে বললেন, ‘আমরা এখানেই আমাদের ভাই নাজ্জ্বাশীর গায়বানা জানাজা আদায় করবো।’ এভাবেই মদীনায় নাজ্জ্বাশীর গায়বানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়।

তাই ইসলামী চিন্তাবিদগণ একমত যে, যদি কেউ মৃত দেহের কাছে না যেতে পারে তাহলে সে যে কোনো স্থান থেকে জানাজা আদায় করতে পারেন। গায়বানা জানাজা ৪ তাকবিরে কিবলামুখি হয়ে পড়তে হয়। প্রথম তাকবীরে সূরা ফাতিহা। দ্বিতীয় তাকবীরে দুরুদ, তৃতীয় তাকবীরে মৃত ব্যক্তির জন্য দুআ, ৪র্থ তাকবীরে ‘রাব্বারা আতীনা ফিদ্দুনয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়াকিনা আযাবান নার’ বলে দুই দিকে সালাম ফিরিয়ে নামাজ শেষ করবে।

ইসলামে কাপড় পেচিয়ে দাফন করার বিধান আছে। এ পদ্ধতি সুন্নাত। সুযোগ পাওয়া নাগেলে তাহলে কোনো কিছু দিয়ে পেচিয়ে মৃত দেহকে দাফন করতে হয়। উহুদ যুদ্ধের শহীদদের ক্ষেত্রে এমন হয়েছিল যে, কাপড়ই পাওয়া যাচ্ছিলনা। শরীরের এক অঙ্গ আবৃত করলে অন্য কোন অঙ্গ অনাবৃত হয়ে যায়। আর এভাবেই তাদের দাফন করা হয়েছিল। তাই যে কোনো ব্যাগে পেচিয়েও যদি দাফন করা হয় তাহলে এ অস্বাভাবিক পরিস্থিতির বাস্তবতায় আমাদের তা মেনে নিতে হবে। মৃতের সংখ্যা বেড়ে গেলে, জায়গার সঙ্কট দেখা দিলে তাহলে একই কবরে কয়েকজনকে একসাথে দাফন করা যাবে।

মোহাম্মদ হেদায়েত উল্লাহ
পিএইচডি গবেষক
ইনস্টিটিউট অব বাংলাদেশ স্টাডিজ
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই ধরনের আরো খবর



প্রকৌশল সহযোগিতায়: মোঃ বেলাল হোসেন